পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় হাই কোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন নগর বিএনপি’র আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন ও সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করসহ ২৩ নেতাকর্মী। গতকাল রোববার হাই কোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ সেলিমের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ জামিন আদেশ দেন। বিএনপি নেতাদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অংশ নেন বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো. নাছির উদ্দিন, এডভোকেট আবদুল মান্নান ও এডভোকেট মুজিবুর রহমান। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত নগর বিএনপি’র মানববন্ধনে অংশ নেয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। মানববন্ধন শেষ হওয়ার পর পুলিশ একটি বাসসহ ৪৯ জনকে আটক করে। পরে ঘটনার দিন রাতে পুলিশের ওপর ‘হামলা’র অভিযোগে বিএনপি’র ৭৫ নেতকর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারায় কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। এতে আটক ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ মামলায় গতকাল ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন পাওয়ার বিষয়টি দৈনিক আজাদীকে নিশ্চিত করেছেন নগর বিএনপি’র আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।
জামিন পাওয়া অন্য নেতারা হচ্ছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু সুফিযান, নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, ইস্কান্দর মির্জা, শাহ আলম, আব্দুল মান্নান, সদস্য আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শহীদুল আলম শহীদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ, এম, রাশেদ খান, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দীন নাহিদ, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গোলজার হোসেন, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহ্বায়ক মো. আলী সাকি, খুলশী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রায়হান আলম ও যুবদলের মো. কফিল উদ্দিন।








