চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ৫৬ হাজার ১১৭ কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে যেসব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাজেটের মূল বরাদ্দের চেয়ে বেড়েছে, সেগুলোর অতিরিক্ত ব্যয় অনুমোদন পেল। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। খবর বিডিনিউজের।
সম্পূরক বাজেটের আলোচনায় বিরোধী সদস্যরা ‘আগে খরচ, পরে অনুমোদন’ প্রক্রিয়া, ব্যাংক খাতের সংকট, খেলাপি ঋণ, ঘাটতি অর্থায়ন, দুদককে শক্তিশালী করা, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে তাদের আপত্তি টেকেনি, কণ্ঠভোটেই বাতিল হয়ে যায়। সংসদে সম্পূরক বাজেটের ২৫টি মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোট গ্রহণ হয়। এসব দাবির বিপরীতে ২০ জন সংসদ সদস্য ৩০৪টি ছাঁটাই প্রস্তাবের নোটিস দেন।
অর্থ বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। পরে সব ছাঁটাই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।







