আমাদের করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেও গত বছর শিল্পায়নের জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজা ৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। গতকাল রোববার এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, করোনাকালেও বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পেরেছে। গত বছরই বেজা ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
এসব প্রস্তাবের মধ্যে বেশ কয়েকটি কারখানা ‘দ্রুতই’ বেজার অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে উৎপাদন শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ১৫ বছরের মধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে বেজার। সরকার বলছে, এটা করা সম্ভব হলে ২০৩০ সালের মধ্যে এ খাত থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৬০ বিলিয়ন ডলার বাড়বে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনে গতকাল রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বেজা ও বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) মধ্যে উন্নয়ন চুক্তি হয়। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এবং বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম এ চুক্তিতে সই করেন। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় ৪০০ শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ঠিক করেছে বেজা। পবন চৌধুরী বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন ও শিল্পোন্নত বাংলাদেশ নির্মাণে বেজা ও বেপজা আরো একধাপ এগিয়ে গেল। আগামীতেও এ সমন্বয় ধরে রাখার প্রত্যাশার কথা শুনিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বলেন, ইপিজেডগুলোর মত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিচালনাতেও বেপজা সাফল্যের পরিচয় দেবে। অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমাদ কায়কাউস, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।













