আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে বিএনপি–জামায়াতে ইসলামীসহ ২৫টি রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থী দিতে পেরেছে। সব রাজনৈতিক দল প্রার্থী দিতে পারেনি।
চট্টগ্রামে তিন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমাদান ও বাছাই কালে দেখা গেছে, চট্টগ্রামে অংশ নেয়া ২৫ রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৩ রাজনৈতিক দল চট্টগ্রামে সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে গণফোরাম, বাসদ, এবি পার্টি, নাগরিক ঐক্য ও এনডিএম শুধুমাত্র একটি করে আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে। অপরদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপি জোটগতভাবে নির্বাচন করায় জোট থেকে চট্টগ্রাম–৮ আসনটি এনসিপিকে ছেড়ে দিয়েছে। এই আসন ছাড়া অন্যান্য আসনে তাদের প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম নেয়ার পরও আর জমা দেননি।
এদিকে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, মুসলিম লীগ, এলডিপি, লেবার পার্টি, জেএসডি, জনতার দল ও সুপ্রিম পার্টি চট্টগ্রামে ২টি করে আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে। বিএনপি ১৬ আসনেই তাদের প্রার্থী দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ১৬ আসনের মধ্যে ১৪ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে এবং চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ আসনে তাদের প্রার্থী দেয়নি। চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনের প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হকের দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে আপিলেও তিনি প্রার্থিতা ফিরে পাননি।
এনসিপি : এনসিপি চট্টগ্রামে ১ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জোটগতভাবে নির্বাচন করায় জোট থেকে চট্টগ্রামে এনসিপিকে একটি আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপির প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ : চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১২ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–১ মীরসরাই আসনে ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম–৪ সীতাকুণ্ড আসনে মো. দিদারুল মাওলা, চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে মতি উল্লাহ নূরী, চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে আবদুল্লাহ আল হারুন, চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে মোহাম্মদ নুরুল আলম, চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে আব্দুস শুক্কুর, চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে মো. নূর উদ্দিন, চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনে এসএম বেলাল নূর, চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক আসনে মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, চট্টগ্রাম–১৫ সাতকানিয়া–লোহাগাড়া আসনে শরীফুল আলম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনে দলটির প্রার্থী হাফেজ রুহুল্লাহ।
জাতীয় পার্টি : জাতীয় পার্টি চট্টগ্রামে ৬ আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন– চট্টগ্রাম–১ (মীরসরাই) আসনে সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন, চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে মো. মেহেদী রাসেদ, চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী, চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে মো. আবু তাহের, চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে আবদুর রব চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী বাদশা মিয়া।
গণসংহতি আন্দোলন : গণসংহতি আন্দোলন চট্টগ্রামে ৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন– চট্টগ্রাম–৪ সীতাকুণ্ড আসনে জাহিদুল আলম, চট্টগ্রাম–৬ রাউজান আসনে নাছির উদ্দীন তালুকদার এবং চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে দলটির প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ।
এলডিপি : এলডিপি চট্টগ্রামে তিন আসনে প্রার্থী দিলেও ঋণ খেলাপীর দায়ে এক প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। এখন শুধুমাত্র দুই আসনে তাদের প্রার্থী রয়েছে। চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক আসনে ওমর ফারুক এবং চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনে তাদের প্রার্থী মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী। চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনে এলডিপি তাদের এম. এয়াকুব আলীকে প্রার্থী দিলেও ঋণ খেলাপীর কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। তিনি আর নির্বাচনে আংশ নিতে পারবেন না।
নাগরিক ঐক্য : নাগরিক ঐক্য চট্টগ্রামে শুধুমাত্র ১ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মো. নুরুল আবছার মজুমদার।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট : বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রামে ৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন– চট্টগ্রাম–৪ সীতাকুণ্ড আসনে মো. সিরাজুদ্দৌল্লা, চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে সৈয়দ মোখতার আহমেদ, চট্টগ্রাম–৬ রাউজান আসনে মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী, চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে মুহাম্মদ ইকবাল হাছান, চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান, চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনে ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে এসএম শাহজাহান এবং চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মৌলানা মো. সোলাইমান।
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ : ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রামে ৫ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। তারা হলেন– চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে মো. লিয়াকত আলী, চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে মুহাম্মদ আবু তাহের এবং চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনে তাদের প্রার্থী আব্দুল মালেক।
বাংলাদেশ মুসলিম লীগ : বাংলাদেশ মুসলিম লীগ চট্টগ্রামে ২ আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন– চট্টগ্রাম–১ মীরসরাই আসনে শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনে তাদের প্রার্থী এহছানুল হক।
জেএসডি : জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডি চট্টগ্রামে ২ আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন– চট্টগ্রাম–১ মীরসরাই আসনে একেএম আবু ইউছুপ এবং চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে তাদের প্রার্থী আবদুল মোমেন চৌধুরী।
ইনসানিয়াত বিপ্লব : ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ চট্টগ্রামে ৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন– চট্টগ্রাম–১ মীরসরাই আসনে রেজাউল করিম, চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক, চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন, চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে সাবিনা খাতুন, চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে মো. আজিজ মিয়া, চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনে মোহাম্মদ আবু তালেব, চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে মু. রেজাউল মোস্তফা এবং চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক আসনে তাদের প্রার্থী এইচএম ইলিয়াছ।
এবি পার্টি : এবি পার্টি চট্টগ্রামে শুধুমাত্র একটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে এবি পার্টির প্রার্থী হলেন মো. আব্দুর রহমান।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম : বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পর্াটি ৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–৪ সীতাকুণ্ড আসনে মো. জাকারিয়া খালেদ, চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে মো. নেজাম উদ্দীন এবং চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনে নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ মুসা।
জনতার দল : চট্টগ্রামে জনতার দল প্রার্থী দিয়েছেন ২ আসনে। চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে তাদের প্রার্থী মো. হায়দার আলী চৌধুরী।
সুপ্রীম পার্টি : সুপ্রীম পার্টি প্রার্থী দিয়েছে মাত্র ২ আসনে। চট্টগ্রাম–২ ফটিকছড়ি আসনে দলটি দুইজনকে প্রার্থী দিয়েছে। তারা হলেন–শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ এবং মো. ওসমান আলী, চট্টগ্রাম–৪ সীতাকুণ্ড আসনে তাদের প্রার্থী মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী।
বাংলাদেশ লেবার পার্টি : চট্টগ্রামে বাংলাদেশ লেবার পার্টি ২ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে মো. আলা উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে তাদের প্রার্থী মো. ওসমান গণি।
গণ অধিকার পরিষদ : চট্টগ্রামে গণ অধিকার পরিষদ ৭ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে রবিউল হাসান, চট্টগ্রাম–৪ সীতাকুণ্ড আসনে এটিএম পারভেজ, চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে মো. বেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনে এমদাদুল হাসান, চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে মো. মুজিবুর রহমান এবং চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনে তাদের প্রার্থী মো. আরিফুল হক।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস : বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৬ আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন– চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনে এইচএম আশরাফ বিন ইয়াকুব, চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে মো. নাসির উদ্দীন, চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে মো. আবুল কালাম, চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ, চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে মো. আলী ওসমান এবং চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে দলটির প্রার্থী মোহাম্মদ ইমরান।
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি : বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ২ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন–চট্টগ্রাম–৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে প্রমোদ বরণ বড়ুয়া এবং চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে তাদের প্রার্থী মো. সেহাব উদ্দীন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) : বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ৩ আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা হলেন–চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে মো. শফি উদ্দিন কবির, চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে আসমা আকতার এবং চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে দলটির প্রার্থী দীপা মজুমদার।
গণফোরাম : গণফোরাম চট্টগ্রামে শুধুমাত্র একটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে গণফোরামের প্রার্থী উজ্জ্বল ভৌমিক।
বাসদ : বাসদ চট্টগ্রামের শুধু একটি মাত্র আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–১১ বন্দর–পতেঙ্গা আসনে বাসদের প্রার্থী মো. নিজামুল হক আল কাদেরী।
এনডিএম : জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন–এনডিএম চট্টগ্রামে শুধুমাত্র একটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন–এনডিএম–এর প্রার্থী মোহাম্মদ এমরান।
চট্টগ্রামে ১৬ আসনে গতকাল পর্যন্ত বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১১৩ জন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। ভোটগ্রহণ আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। একই দিনে বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাঙে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭ জন এবং মহিলা ভোটার সংখ্যা ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০ জন। এবার তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭০ জন।












