১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের আবেদন বন্দর কর্তৃপক্ষের

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও দুদকে চিঠি

আজাদী প্রতিবেদন | শুক্রবার , ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ

আন্দোলনের নামে ‘নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী’ ১৫ কর্মচারীর দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও স্থাবরঅস্থাবর সম্পদ তদন্ত করার জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে আবেদন করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দরে সমপ্রতি আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত হিসেবে ১৫ জনের নামোল্লেখ করে গতকাল এই চিঠি দেয়া হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।

চিঠিতে বলা হয় যে, উক্ত কর্মচারীগণ রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত। এসকল বিপথগামী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও এজেন্সিকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

শুধু দুদকের জন্য আলাদা কলাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বর্ণিত কর্মচারীদের সকল স্থাবরঅস্থাবর সম্পদ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এতে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের মধ্যে প্রকৌশল, ট্রাফিক, মেরিন, ইলেকট্রিক্যালসহ বিভিন্ন বিভাগে কর্মরতরা রয়েছেন। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বদলিকৃত উক্ত ১৫ জন কর্মচারী মোংলা এবং পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মচারী হিসেবে সংযুক্ত রয়েছেন।

উক্ত ১৫ জন শ্রমিক কর্মচারী হচ্ছেন, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ ইব্রাহিম খোকন, মোহাম্মদ ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মোহাম্মদ শামসু মিয়া, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল এবং মোহাম্মদ রাব্বানী।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকাস্টমস-বন্দরের সব কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু ও ডেমারেজ চার্জ ছাড়া পণ্য ডেলিভারির দাবি
পরবর্তী নিবন্ধনতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি : প্রেস সচিব