২০২২ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১১৫ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হচ্ছে। এতে সিএমপি, পিবিআই–চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ, র্যাব–৭ এর ৯ সদস্যের নাম রয়েছে। গতকাল রোববার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ–সচিব সিরাজাম মুনিরার স্বাক্ষর করা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য দেয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে– ২০২২ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’, ২৫ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ এবং ৫০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ পদক প্রদান করা হলো।
পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিপিএম সাহসিকতা ও সেবা এবং পিপিএম সাহসিকতা ও সেবা– এই চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতি বছর এ পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতি বছর পুলিশ সপ্তাহের বার্ষিক পুলিশ প্যারেডে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এবার ১১৫ কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যের মধ্যে যে ১১ জন ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম, সাহসিকতা)’ পদক পেয়েছেন তাদের মধ্যে চট্টগ্রামের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন, র্যাব–৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ, জেলা পুলিশের রাঙ্গুনিয়া সার্কেল (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) এএসপি আনোয়ার হোসেন, শিল্পাঞ্চল পুলিশ–৩ এর এসআই (নিরস্ত্র) কামরুল হাসান ও জেলা পুলিশের ড্রাইভার কনস্টেবল মো. তুহিন হোসেন।
বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম, সেবা) পদক পাওয়া ২৫ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে একমাত্র এ পদক পেয়েছেন সিএমপির নগর বিশেষ শাখার উপ কমিশনার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ।
রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম, সাহসিকতা) ২৫ জনের মধ্যে চট্টগ্রামের দুজন এ পদক পেলেন। তারা হলেন, র্যাব–৭ চট্টগ্রামের অপারেশনস্ এবং জঙ্গি সেলের এএসপি মো. রায়হান উদ্দিন মোরাদ এবং বাঁশখালী থানার ওসি কামাল উদ্দিন।
রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম, সেবা) পাওয়া ৫০ জনের মধ্যে চট্টগ্রামের রয়েছে ২ জন। তারা হলেন, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, চট্টগ্রাম মেট্রোর এসপি নাইমা সুলতানা ও সিএমপির এডিসি (অপারেশন) পংকজ দত্ত।