বাঁশখালীর বৈলছড়িতে গলা কেটে মাকে খুনের পর আত্মগোপনে চলে যাওয়া ছেলে ও ছেলের স্ত্রীকে দীর্ঘ ১০ মাস পর খুঁজে বের করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গত বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়ার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দু’জন হলেন– ভিকটিমের ছেলে মো. কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার।
র্যাব জানায়, ভিকটিম রেহেনা বেগম বাঁশখালীর পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তার বড় ছেলে বেলাল প্রবাসে থাকেন। আর তার ছোট ছেলে কাশেম ও কাশেমের স্ত্রী একসাথে বসবাস করতেন। বেলাল মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য স্ত্রীর মাধ্যমে কাশেমের কাছে টাকা পাঠাতেন। তবে কাশেম সেই টাকা মায়ের কাছে না দিয়ে নিজেই রেখে দিতেন। এ নিয়ে তাদের পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। এর জেরে গত বছরের ৫ জুন রাতে কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ মিলে রেহেনা বেগমকে ধারালো দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরইমধ্যে ঘাতক কাশেম ও স্ত্রী নারগিছ আত্মগোপনে চলে যান। রেহানা বেগম খুনের এ ঘটনায় তার ভাই মো. মোক্তার আহমদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব আরো জানায়, জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। আত্মগোপনে থাকা কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ উক্ত এলাকায় বসবাস করছে এমন খবরে সর্বশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব–৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, নিজ মাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত কাশেম ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের পর বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।













