হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে সানজিদা মিতু আনিসা নামে এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় জনৈক শেখ বাদলের (৪৩)। এরপর গত মঙ্গলবার বিকেলে বাদলকে হালিশহরের রূপসা বেকারির সামনে আসতে বলেন মিতু। মিতুর কথা মতো মোটরসাইকেলে চেপে রূপসা বেকারির সামনে যান বাদল। আর সেখান থেকে মিতু বাদলকে তার বাসায় নিয়ে যান। মিতু যখন বাদলকে বাসায় নিয়ে যান, তখন সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন জাহানারা, ফাহিম এবং মারুফ। তাদের সহায়তায় বাদলকে আটকে রেখে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন মিতু। প্রতারণা বুঝতে পেরে বিকাশে তিন হাজার টাকা এনে দেন বাদল। পরে বাদলের কাছে আরও টাকা দাবি করা হয়। এর মধ্যে তিনি বাসা থেকে ৪০ হাজার টাকা এনে দেওয়ার কথা বলেন। ফলে তার মোটরসাইকেলটি আটকে রেখে তাকে পাঠানো হয় বাসায়। ছাড়া পেয়ে বিষয়টি হালিশহর থানাকে জানান বাদল। এরপর গত বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে চার প্রতারককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন সানজিদা মিতু আনিসা (২০), জাহানারা (৩২), ফাহিম (২৩) এবং মারুফ (২৬)। এ ঘটনায় মামলা করেছেন শেখ বাদল।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির বলেন, সানজিদা মিতু একজন প্রতারক দলের সদস্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরিচিত লোকজনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাসায় নিয়ে আটকে রেখে চাঁদা দাবি করেন। শেখ বাদল নামের এক ব্যক্তিকেও একই কায়দায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাসায় নিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে না পারায় আটকে রাখা হয় তার মোটরসাইকেলটি। খবর পেয়ে ওই চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বলে জানান ওসি। তাদের মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।













