হালিম জিলাপি সেমাইয়ে ক্রেতাদের আস্থা

বনফুলের ইফতার

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ৫ মার্চ, ২০২৬ at ১১:০০ পূর্বাহ্ণ

পবিত্র মাহে রমজানকে ঘিরে ইফতার বাজারে আবারও সরব উপস্থিতির জানান দিয়েছে দেশের সুপরিচিত ব্র্যান্ড বনফুল অ্যান্ড কোং লিমিটেড। তিন দশকের বেশি সময় ধরে মানসম্মত মিষ্টান্ন ও খাদ্যপণ্য দিয়ে ভোক্তাদের আস্থা অর্জন করা এই প্রতিষ্ঠান এবারও বৈচিত্র্যময় ইফতার আয়োজন নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে হালিম, জিলাপি ও সেমাই ঘিরে আউটলেটগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দুপুরের মধ্যেই ইফতার সামগ্রী সাজিয়ে রাখা হয়। বিকেল সাড়ে চারটার পর থেকে শুরু হয় উপচেপড়া ভিড়। সংশ্লিষ্টরা জানান, জনপ্রিয় কিছু আইটেম ইফতারের আগেই শেষ হয়ে যায়। রমজান উপলক্ষে ইফতার তালিকায় রয়েছে চিকেন হালিম ৬৪০ টাকা এবং মাটন হালিম ৮৮০ টাকা। তাছাড়া রয়েছে ফিরনি, মাহালাবিয়া, বেকড দধি, দধি হালুয়া, মিষ্টি দই (হাড়ি) এবং টক দই।

জিলাপির মধ্যে নরমাল জিলাপি ২৪০ টাকা, রেশমি জিলাপি ৫০০ টাকা। এছাড়া টিক্কা স্যান্ডউইচ ও চিপ স্যান্ডউইচ ৬৫ টাকা, আলু পরোটা ৪০ টাকা, মিহিদানা (২৫০ গ্রাম) ৮০ টাকা, কুনাফা ৬০ টাকা, তলুম্বা (তুর্কি) ৯০ টাকা, তার্কিশ মিল্ক কেক ১৬০ টাকা, শ্রীমাই ৬০ টাকা এবং অ্যান্ডামিঠাই ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ইফতার তালিকায় রয়েছে এগ পটেটো চপ, সামী কাবাব, জালী কাবাব, ফিস কাবাব, চিকেন টিক্কা কাবাব, ফ্রাই, ফিস ফিঙ্গার, ড্রাম স্টিক, সিংগারা, রোল, ছমুছা, সাসলিক, গ্রিল, রোস্ট, চিকেন চপ, ইরানী কাবাব, কেনাপি, মাশরুম, পাকুরা, কোপ্তা, বেগুনী, পেঁয়াজু, আলুর চপ, শাক বরা, মরিচা, পটেটো চপ ও মিনি পাকুরা। এছাড়া চনা পাওয়া যাচ্ছে ওজন অনুযায়ী।

বনফুলের মহাব্যবস্থাপক আমানুল আলম বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের মূল শক্তি হলো গুণগত মানের প্রতি শতভাগ অঙ্গীকার। উৎপাদন থেকে বিক্রি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়। ভালো কাঁচামাল ব্যবহার, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্রস্তুত প্রক্রিয়া এবং সঠিক সংরক্ষণএই তিনটি বিষয় আমরা কখনোই অবহেলা করি না।

তিনি আরও বলেন, তিন দশক ধরে বাজারে টিকে থাকার পেছনে ভোক্তাদের আস্থা সবচেয়ে বড় কারণ। আমরা সেই আস্থার মর্যাদা দিতেই প্রতিনিয়ত কাজ করছি। রমজানে চাহিদা বাড়লেও মানের সঙ্গে কোনো আপস নেই। ক্রেতাদের মধ্যেও সন্তুষ্টির ছাপ স্পষ্ট। নগরীর বাসিন্দা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর রমজানে বনফুলের হালিম কিনি। স্বাদে ধারাবাহিকতা আছে, তাই নির্ভর করতে পারি। পরিবারের সবাই পছন্দ করে। আরেক ক্রেতা নুসরাত জাহান জানান, জিলাপি আর সেমাইয়ের স্বাদ আলাদা। অতিথি এলে নিশ্চিন্তে পরিবেশন করা যায়। দামও তুলনামূলক সহনীয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজানজুড়ে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঐতিহ্য, মান ও স্বাদের সমন্বয়ে বনফুলের ইফতার আয়োজন তাই অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে আস্থার প্রতীক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র
পরবর্তী নিবন্ধপরিবারের প্রধান হিসেবে নারীর নামে আসবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’