ফেনী মুক্ত হয় এদিনে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশ সার্বিকভাবে হানাদারমুক্ত হয় ১৬ ডিসেম্বর। কিন্তু ফেনী হানাদারমুক্ত হয় ৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এদিনে ফেনীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে প্রথম ফেনীর মাটিতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছিল। অর্থাৎ, প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ওড়ে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফেনী দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে ফেনী মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ জোন ছিল। ২৫ মার্চ থেকে দেশব্যাপী যুদ্ধের ভয়াবহতা শুরু হয়। হানাদারবাহিনী দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ও নৃশংসতা চালায়। এরই অংশ হিসেবে এপ্রিলের প্রথমভাগেই পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী ফেনীতে হানা দেয়। ভৌগলিক অবস্থানের জন্য ফেনীতে হানাদার বাহিনীর প্রবেশ দ্রুত ও সহজতর হয়। এ দিকে, হানাদার বাহিনী প্রবেশের খবর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় যুদ্ধের ডামাডোল। যুদ্ধের শুরু থেকেই ফেনী অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা সুসংগঠিত ছিল। ফেনী সীমান্তে মুক্তিযুদ্ধের বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়। এর মধ্যে শুভপুর ও বিলোনিয়া যুদ্ধ অন্যতম। প্রথম দিকে মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০০ জনের একটি বাহিনী নিয়ে ফেনী পিটিআই স্কুল মাঠে সামরিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। বিএলএফের ফেনী মহুকুমা কমান্ডার হিসেবে অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি ফেনীর পশ্চিমাঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।









