লোহাগাড়ার পদুয়া–নাওঘাটা সড়ক সংস্কার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডেইল্যা পাড়ার পশ্চিম পাশে সড়কের পিচ ঢালাইয়ের পরদিন হাত দিয়ে টেনে কার্পেটিং তুলে ফেলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে পদুয়া–নাওঘাট সড়কের সংস্কার করা হয়েছিল। নিম্নমানের কাজ করায় কিছুদিন পর সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যায়। গত কয়েকদিন যাবত বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যাওয়ার স্থানে সংস্কার কাজ করা হচ্ছিল। এই কাজেও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়। যার ফলে কাজ করার পরদিনই হাত দিলেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। টান দিলেই চাপড়া ধরে উঠে আসছে। উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২০–২১ অর্থ বছরে পদুয়া–নাওঘাটা সড়ক সংস্কারের কাজ পান স্থানীয় ঠিকাদার দিপু কান্তি পাল। প্রায় ২ বছর আগেই উক্ত সড়কের কাজ শেষ হয়। সম্প্রতি ঠিকাদার দিপু মারা গেছেন। উক্ত সড়ক সংস্কার কাজের জামানতের অর্থ এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা আছে। উক্ত অর্থ উত্তোলনের জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে দায়সারাভাবে সড়কের নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ সংস্কার করা হচ্ছিল।
স্থানীয় মোহাম্মদ ইছহাক জানান, আগেও ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করেছেন। এখনো একই রকম করেছেন। তাই কাজ করার পরদিনই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এদিকে, ঠিকাদারের পরিবারের পক্ষ থেকে সড়কের ভাঙা অংশ সংস্কারের জন্য স্থানীয় আবদুস ছালাম নামে এক ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আবদুস ছালাম জানান, উক্ত স্থানে প্রায় ১শ মিটার পুনরায় সংস্কার করে দেয়া হবে।
লোহাগাড়া উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মো. মঈনুল ইসলাম জানান, ঠিকাদার জামানতের অর্থ উত্তোলনের জন্য সড়কের ভাঙা অংশ সংস্কার করছিল। তবে সংস্কার কাজ করার আগে এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হয়। যাতে কাজের তদারকি করতে পারে। কিন্তু ঠিকাদারের পক্ষ থেকে এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করায় কাজের ব্যাপারে কিছুই জানেন না।












