হল্যান্ড থেকে

বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া | শনিবার , ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

স্কুল বয়সে প্রথম জেনেছিলাম এস্কিমোদের সম্পর্কে। তখনকার যে ছবি মনের মধ্যে গেঁথে ছিল তা এখনো স্পষ্ট রয়ে গেছে। চারিদিকে বরফ আর বরফ, কোন গাছপালা নেই, বরফের মধ্যে এদের বসবাস। সারা গায়ে, মাথায় শীত থেকে বাঁচার জন্যে পশুর চামড়ার তৈরি পোশাক। খুব অবাক লাগতো তখন। ভাবতাম ভিন গ্রহে এদের বসবাস। ইনুইটহিসাবে এরা বেশি পরিচিত। আর একটু বড় হয়ে জেনেছি বিশ্বের সব চাইতে বৃহত্তম দ্বীপে এদের বসবাস। কানাডার উত্তরপূর্বে অবস্থিত এই দ্বীপ, নাম গ্রীনল্যান্ড, যার শতকরা ৮১% ভাগ বরফে ঢাকা। বিশ্ব রাজনীতি মারপ্যাঁচের ধারে কাছে এরা নেই, নেই দেশটি। কিন্তু বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদে ভরা তাদের বিশাল দেশটির দখল নিয়ে চলছে নগ্ন কাড়াকাড়ি। মোট ২.১৬৬.০৮৬ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে এই দেশটির বিশাল আয়তন হলেও জনসংখ্যা মাত্র ৫৬,৬৬৯ জন। এটি বিশ্বের সব চাইতে কম জনবহুল দেশ, যার ঘনত্ব মাত্র ০,০৩ প্রতি বর্গ কিলোমিটার। গ্রীনল্যান্ড ইউরোপীয় দেশ ডেনমার্কের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, রয়েছে নিজস্ব সরকার। তবে গ্রীনল্যান্ডের নাম কেন যে গ্রীনল্যান্ড তার পেছনে কী যুক্তি তা খুঁজে পাইনা। এ যেন কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন‘, কিংবা টেরাচোখা মেয়ের নাম সুনয়না। কেননা কোথায়ও সবুজের নামগন্ধ নেই, নেই সবুজ গাছপালা, অথচ নাম গ্রীনল্যান্ডবা সবুজদ্বীপ। ডেনমার্কের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত হলেও গ্রীনল্যান্ডবাসীরা নিজেদের ডেনিশ, নরওয়েজিয়ান, ইউরোপীয় বা আমেরিকান বলে মনে করেননা। বরঞ্চ তারা পৃথক সত্তা নিয়ে নিজেদের একটি পৃথক জাতি হিসাবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করেন।

সাদা বরফে ঢাকা শান্ত এই বিশাল দ্বীপটির উপর এখন শেন্য দৃষ্টি পড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তার যুক্তি আমেরিকার নিরাপত্তার জন্যে এবং দ্বীপটিকে চীন ও রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলা থেকে রক্ষা করার জন্যে এটি প্রয়োজন। তিনি যুক্তি দেখান, চীন এবং রাশিয়ার যুদ্ধ জাহাজগুলি এর আশপাশ ঘুরঘুর করছে এবং ইউরোপ তথা ন্যাটো এই দেশটিকে রক্ষা করতে সক্ষম নয়। তিনি হুমকি দেন, যদি আপোষে না হয়, তাহলে প্রয়োজনে পেশীশক্তিতে দ্বীপটিকে নিজ দখলে নেবেন। গ্রীনল্যান্ডের বরফের গভীরে রয়েছে বিশ্বের সবচাইতে ধনী ও মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদের ভান্ডার। এর মধ্যে অন্যতম কাঁচামাল লিথিয়াম, হাফনিয়াম ও জিরকোনিয়ামের মত দুর্লভ ধাতু। এছাড়া রয়েছে তেল ও গ্যাস সহ বিপুল পরিমাণ হাইড্রোকার্বন। নিন্দুকেরা বলেন, ট্রাম্পের নজর পড়েছে সেদিকে। আর তাই এটি তার চাই। গ্রীনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে নেয়ার ট্রাম্পের ঘোষণার স্বাভাবিকভাবেই গ্রীনল্যান্ডের জনগণ ও রাষ্ট্রীয় নেতারা তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তারা বলেছেন, আমেরিকার চাইতে আমাদের পছন্দের ডেনমার্ক। আমরা ইউরোপের অংশ, আমেরিকার নয়। গ্রীনল্যান্ড স্পষ্ট করে বলে, আমরা আমেরিকার হতে চাইনা। গোটা ইউরোপ একাট্টা হয়ে বলে, আমরাও চাইনা। কিন্তু কে শোনে কার কথা। ট্রাম্প অনেকটা সুরে সুরে বলে উঠেন, একবার নয় একাধিকার -‘তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই।ট্রাম্পের কাছে গ্রীনল্যান্ড সোনার হরিণ তো বটেই। এতো প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর একটি দেশ, সোনার হরিণ তো বটেই। উল্লেখ্য, ডেনমার্ক ন্যাটোর (নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। গ্রীনল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য না হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে সম্পর্কিত ইইউ সদস্যদের বিদেশী দেশ ও অঞ্চলগুলির‘ (ওভারসিস কান্ট্রিজ এন্ড টেরিটোরিজ) মধ্যে একটি। ইইউর সাথে সম্পর্কিত সম্পর্কের অর্থ হলো, গ্রীনল্যান্ডে বসবাসকারী সমস্ত নাগরিক ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নাগরিক।

. মূল ভূখন্ড থেকে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রীনল্যান্ডের উপর বিগত ৩০০ বছর ধরে ডেনমার্ক নিজ কর্তৃত্ব ধরে রেখেছে। ডেনমার্ক সহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলি ট্রাম্পকে বলে, গ্রীনল্যান্ডের নিরাপত্তার জন্যে তারা ইতিমধ্যে আরো সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে। আমেরিকার এই হুমকি থেকে গ্রীনল্যান্ডকে রক্ষা করার জন্যে ইতিমধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি, হল্যান্ড, বৃটেন, স্পেন, পোল্যান্ড জোট বেঁধেছে এবং এক যৌথ ঘোষণাপত্রে মেরুঅঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে। বিবৃতিতে আরো বলা হয় যে, ভবিষ্যৎ ও পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন হবে তা ঠিক করবে গ্রীনল্যান্ড এবং ডেনমার্ক। ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রী জিন নোয়েল ব্যারোট গেল বছর এই ব্যাপারে স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই ধরনের কোন পদক্ষেপ নেয়, তাহলো গোটা ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমেরিকার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মেক্রো ব্যক্তিগত বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লিখেছেন, প্রিয় ট্রাম্প এই সব কী হচ্ছে। এর একটা সুরাহা হওয়া দরকার। ধরে নেয়া হতো ট্রাম্পের সাথে ম্যানুয়েল মেক্রোর সম্পর্ক অনেকটা বন্ধুপর্যায়ে। তাদের কথা বার্তা, বডি ল্যাংগুয়েজ দেখে তাই ধারণা করা হতো। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের স্থায়ী ও প্রকৃত বন্ধু নেই। স্বার্থের ব্যাঘাত হলেই বন্ধু বা মিত্রকে ছুঁড়ে ফেলতে দ্বিধা করেননা ডোনাল্ড ট্রাম্প। তা না হলে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রের সাথে এমন আচরণ বা পদক্ষেপ তিনি (ট্রাম্প) নেবার চিন্তা করতেন না।

ইতিমধ্যে হল্যান্ড সহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ গ্রীনল্যান্ডে সামরিক সাপোর্ট প্রেরণ করলে ট্রাম্প ওই সমস্ত দেশের উপর বাড়তি ট্যাক্স আরোপের ঘোষণা দেন। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ব্ল্যাকমেইলহিসাবে আখ্যায়িত করেন ইউরোপীয় দেশের নেতারা। ট্রাম্পের দশা কানে দিয়েছি তুলো, পিঠে বেঁধেছি কুলোমত। কে কী বলছে, ভালো না মন্দ, যুক্তিপূর্ণ না যুক্তিহীন কোন কিছুই আমলে আনছেন না তিনি। উল্টো, গত শনিবার তার নিজস্ব ট্রুথ সোশ্যাল প্লাটফর্মে লিখেছেন, তিনি ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলিকে শুল্ক না দিয়ে এতদিন ভূর্তকি দিয়েছেন। এখন শতাব্দীর পর ডেনমাকের্র সময় এসেছে তার প্রতিদান দেয়া।তিনি আরো লিখেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা এবং বৃহত্তরবিশ্ব ঝুঁকির মুখে।আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, হল্যান্ড ও ফিনল্যান্ডের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাদের রপ্তানির উপর ১০% শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ১ জুন থেকে এই শুল্ক ২৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হবে। তিনি আরো বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের পূর্ণ ক্রয়ের চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই শুল্ক প্রযোজ্য থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই লেনদেন করার চেষ্টা করে আসছে। অনেক প্রেসিডেন্ট চেষ্টা করেছেন কিন্তু ডেনমার্ক সর্বদা প্রত্যাখ্যান করেছে।

. প্রশ্নডোনাল্ড ট্রাম্প কি প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি গ্রীনল্যান্ড নিজের দখলে নিতে চাইছেন বা কিনতে চাইছেন? উত্তরে বলতে হয়, অবশ্যই না। যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা কেনার পর তৎকালীন মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট, উইলিয়াম এইচ সিওয়ার্ড গ্রীনল্যান্ড কিনতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সফল হননি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ডেনমার্ক দখল করে সেখানে মিলিটারি ও রেডিও (যোগাযোগ) স্থাপন করলে আমেরিকা গ্রীনল্যান্ড নিজ দখলে নেয়। ১৯৪৬ সালে গ্রীনল্যান্ড যখন ডেনমার্কের উপনিবেশ ছিল, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান ডেনমার্ককে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে গ্রীনল্যান্ডকে আমেরিকার হাতে হস্তান্তর করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু ডেনমার্ক সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। মজার ব্যাপার হলো, বিষয়টি লোকচক্ষুর সামনে আসে ঘটনার অনেক পর, ১৯৯১ সালে। প্রশ্নট্রাম্প কেন গ্রীনল্যান্ড পাবার জন্যে এমন মরিয়া হয়ে উঠেছেন? এটি কি কেবল ওই অঞ্চলটির বরফের নিচে লুকিয়ে থাকা মূল্যবান খনিজ দ্রব্য ও তেলের জন্যে? সেটি হয়তো একটি কারণ হতে পারে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভৌগোলিকভাবে গ্রীনল্যাণ্ড উত্তর আমেরিকার অংশ, যা আর্কটিক মহাসাগর এবং উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত। গ্রীনল্যান্ডের রাজধানী নুউক, নিউ ইয়র্কের কাছাকাছি প্রায় ২,৯০০ কিলোমিটার (,৮০০ মাইল) দূরত্বে। অন্যদিকে ডেনিশ রাজধানী কোপেনহেগেন ৩,৫০০ কিলোমিটার (,১৭৪ মাইল) দূরে অবস্থিত। আর গ্রীনল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত বিমান ও সমুদ্রপথ, যার ফলে মার্কিন সামরিক অভিযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র পূর্বসতর্কীকরণ ব্যবস্থার জন্য এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, রাশিয়া ও চীনা গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্যে আমেরিকা গ্রীনল্যান্ডআইসল্যান্ডযুক্তরাজ্যের সাহায্য (রাডার কভারেজ) চেয়েছে। এই বিবেচনায় মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনভাবেই তার নেয়া পদক্ষেপ ব্যর্থ হতে দেবেন না। কেননা এতে অর্থনৈতিক স্বার্থের পাশাপাশি নিরাপত্তা ইস্যু রয়েছে। হ্যারি ট্রুম্যান ছেড়ে দিয়েছিলেন, নীরবে ছিলেন। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে ডোনাল্ড ট্রাম্প হ্যারি ট্রুম্যান নন। তিনি কারো, কোন কিছুর ধার ধারেন না। দি নিউ ইয়র্ক টাইমস গেল সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেছিল, ‘বিশ্বমঞ্চে তার ক্ষমতাকে কে থামাতে পারে?’ উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “There is only thing. My own morality. My own mind . Its the only thing that stop me. I don’t need international law ” অর্থাৎ, ‘কেবল একটি বিষয়। আমার নিজস্ব নৈতিকতা। এটিই একমাত্র বিষয় যা আমাকে থামাতে পারে। আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই।এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন হলোযদি ডোনাল্ড ট্রাম্প নাছোড়বান্দা হন, মরীয়া হয়ে উঠেন তখন ইউরোপীয় দেশগুলি কিংবা ন্যাটো কি তাকে ঠেকাতে পারবে? সোজা উত্তর অসম্ভব। মাইনাস আমেরিকা ন্যাটো জিরো না হলেও দুর্বল শক্তিএ কথা নির্দ্বিধায় বলা চলে। গোটা ইউরোপ একাট্টা হয়েও গত চার বছরের রাশিয়াইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ঠেকাতে পারলোনা। আর তাই এখন জরুরি হলো ট্রাম্পকে বুঝিয়েসুঝিয়ে তার শুভবুদ্ধির যেন উদয় হয় সেই চেষ্টা চালানো। অন্যথায়, সামনে আরো বড় অনিশ্চয়তা, বড় বিপর্যয়, ইউরোপের জন্যে, গোটা বিশ্বের জন্যে।

সবশেষে: এদ্দুর এসে থেমেছি। এমন সময় শুরু হলো সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণ। দেখলাম ও শুনলাম তার দীর্ঘ সোয়া দেড় ঘন্টারও বেশি বক্তৃতা। বিশ্বজুড়ে সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন গ্রীনল্যান্ড সম্পর্কে তিনি কী বলেন তা শোনার জন্যে। তার বক্তব্য শোনার পর আপাতত স্বস্তি পেলাম। তিনি ঘোষণা দেন গ্রীনল্যান্ডকে পাবার জন্য তিনি কোন বল প্রয়োগ করবেন না। তিনি বললেন, ‘আমি যদি অতিরিক্ত শক্তি ও বল প্রয়োগের সিদ্ধান্ত না নেই, তাহলে সম্ভবত আমরা কিছুই পাবনা। সত্যি বলতে, বল প্রয়োগের চেষ্টা করলে কেউ আমাদের ঠেকাতে পারবেনা। কিন্তু আমি তা করবো না।তবে কি ধরে নেয়া যায়, ট্রাম্পের কিছুটা হলেও সুমতি হয়েছে? সমস্যা হলো তার তো ঘনঘন মত পরিবর্তনের রেকর্ড আছে। দেখা যাক আগামীতে কী হয়। (২১০১২০২৬)

লেখক : সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কলামিস্ট।

পূর্ববর্তী নিবন্ধগণতন্ত্র খেলাফতের পরিপূরক বিপরীত বা প্রতিবন্ধক নয়
পরবর্তী নিবন্ধযাত্রা ও নাটকে মাইকেল মধুসূদন