বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সভা গতকাল বিকাল ৩টায় বিআরটিসি মার্কেটস্থ ফেডারেশনের কার্যালয়ে আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মুছার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কমিটির অন্তর্ভুক্ত ৪৬টি বেসিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন পূর্বাঞ্চল (চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) কমিটির সভাপতি মৃনাল চৌধুরী, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির কার্যকরী সভাপতি রবিউল মাওলা, সাধারণ সম্পাদক অলি আহমদ, আবদুস ছবুর, আবুল খায়ের, শফিকুর রহমান, সেলিম খান, খোরশেদ আলম, হারুনুর রশিদ, মো. ইলিয়াছ, মো. ইউছুপ, নুরুল ইসলাম, আবুল কাসেম, মো. শাহজাহান, মনছুর আলম, কামাল উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন, সাইফুল ইসলাম শাহিন, শহিদুল ইসলাম, জাহেদ হোসেন, হোসেন আহমদ, মো. শফি, জানে আলম, নজরুল ইসলাম, নুরুল হক পুতু, মো. শাহ আলম, মো. হাসান মাহমুদ, খলিলুর রহমান, মো. রুবেল, মোজাহের হোসেন, সাহাব উদ্দিন, মো. হারুন, আকতার হোসেন, আবদুর রহিম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, করোনার সময়ে ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটি সড়ক পরিবহন সেক্টরে সার্ভিস চার্জ ও সদস্য চাঁদা বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে দেশব্যাপী সার্ভিস চার্জ ও সদস্য চাঁদা তোলা শুরু হলেও চট্টগ্রামে প্রাইমমোভার ট্রেইলার, ট্রাক ও সিটি বাস শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক বাধা প্রদানের কারণে সার্ভিস চার্জ ও সদস্য চাঁদা তোলা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে পরিবহন সেক্টরে দুর্ঘটনা ও মৃত শ্রমিক পরিবারের সাহায্য, চিকিৎসাসহ কোনো ধরনের কল্যাণমূলক কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। নেতৃবৃন্দ প্রচলিত শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিক সংগঠনের গঠনতন্ত্রের বিধি মোতাবেক লেভী এবং ত্রিপাক্ষিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সার্ভিস চার্জ আদায়, অবিলম্বে ক্যাটাগরির ভিত্তিতে সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে ডোপ টেস্টের নামে শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধ করা, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৯৮ ও ১০৫ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধসহ শ্রমিক হয়রানি বন্ধ ইত্যাদি বিষয়ে আন্দোলনের জন্য পরিবহন শ্রমিকদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











