চট্টগ্রামে গত তিন বছরে যারা জনস্বাস্থ্য, জেনেটিক্স, পরিবেশ নিয়ে গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন তাদের সম্মানিত করলো ডিজিজ বায়োলজি এন্ড মলিকুলার এপিডেমিওলজি রিসার্চ গ্রুপ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেঙট জেনারেশন সিকুয়েন্সিং, রিসার্চ এন্ড ইনভেশন ল্যাব (এনরিচ)।
সংক্রামক রোগ, ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, খাদ্য নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা জার্নালে প্রকাশনার জন্য এ স্বীকৃতি দেয়া হয়। নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে গতকাল দুপুরে এই অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. ওয়াজির আহমেদ, কবি ও সাংবাদিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চবি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান, প্রভাষক আফরোজা আক্তার তন্বী এবং ড. মাহবুব হাসান। তরুণ উদীয়মান গবেষক সম্মাননা পান জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এইচ এম হামিদুল্লাহ মেহেদী, রেলওয়ে হাসপাতালের ডা. আবুল ফয়সাল মুহাম্মদ নুরুদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ডা. ইমরুল কায়সার, চট্টগ্রাম ডায়বেটিস হাসপাতালের ডা. সুমন রহমান চৌধুরী, ইউএসটিসির শিক্ষক তৌসিফ রেজা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসিল আরেফিন ও ড. মাহবুব হাসান। এছাড়া সামাজিক সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার জন্য সম্মাননা লাভ করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ডায়াবেটিস ও হরমোন বিভাগের ডা. ফারহানা আক্তার, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ওয়াজির আহমেদ ও ডা. রজত বিশ্বাস, রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের ডা. গৌরব দেওয়ান ও ইউএসটিসির সহকারী অধ্যাপক ডা. আয়েশা আহমেদ খান।
আয়োজনে চট্টগ্রামের সামপ্রতিক বিভিন্ন গবেষণা তুলে ধরেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের শিক্ষক ড. অয়ন সাহা, বিসিএসআইআর’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হাজেরা আক্তার, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসমা সালাউদ্দিন। ইউএসটিসির শিক্ষক ফাহমিদা খানম ও জান্নাতুল ফেরদৌস এবং ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব বায়োটেকনোলজির বিজ্ঞানী সবুজ বিশ্বাস।
অস্ট্রেলিয়াতে সামপ্রতিক গবেষণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুনায়েত কাউসার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












