স্বাদ ও বৈচিত্র্যে ইফতার আয়োজন রোদেলা বিকেলে ৪৫ পদের আকর্ষণ

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ১৭ মার্চ, ২০২৬ at ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

রমজান এলেই জমে ওঠে চট্টগ্রাম নগরীর ইফতার বাজার। ঐতিহ্যবাহী স্বাদ আর আধুনিক খাবারের সমন্বয়ে ভোজনরসিকদের টানছে নগরীর পরিচিত রেস্টুরেন্ট ‘রোদেলা বিকেল’। দেশি মুরগি ও মাটনের হালিম, মেজবানি, কাচ্চি বিরিয়ানি থেকে শুরু করে পিঠা, মিষ্টান্ন ও নানা নাশতা মিলিয়ে ৪৫ ধরনের আইটেম নিয়ে সাজানো হয়েছে তাদের এবারের ইফতার আয়োজন। স্বাদ ও মানের কারণে প্রতিদিন বিকাল গড়ানোর আগেই অনেক খাবার শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ।

রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, এবার রমজানে দেশি মুরগি ও মাটন দিয়ে তৈরি হালিমকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি মেজবানি, বিফ কাচ্চি, মাটন কাচ্চি, দেশি মোরগ মোসল্লামসহ নানা ঐতিহ্যবাহী খাবারও রাখা হয়েছে মেন্যুতে। তাদের দাবি, রান্নায় দেশিবিদেশি মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করা হয় এবং খাবারের শতভাগ গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়। মেন্যুতে রয়েছে দেশি চিকেন হালিম ও মাটন হালিম প্রতি কেজি ১১০০ টাকা, মেজবানের গরুর মাংস প্রতি কেজি ১৫০০ টাকা। মিষ্টি ও নাশতার মধ্যে রয়েছে মিহি দানা, জিলাপি, লাচ্ছা জিলাপি, পাটিসাপটা পিঠা ও কিসমিস ফিরনি। এছাড়া স্পেশাল পরটা, ঘিয়ে ভাজা লুচি, চিটা পিঠা, সুজির হালুয়া, সিঙ্গারা ও সমুচাসহ নানা ধরনের হালকা নাশতার আইটেম।

গ্রিল ও ফ্রাই আইটেমের মধ্যে রয়েছে দেশি চিকেন তান্দুরী, চিকেন চাপ, চিকেন ললিপপ, বিফ বটি কাবাব, প্রণ তান্দুরী, ফিশ ফিঙ্গার, চিকেন সাসলিক, প্রণ পাকোড়া ও চিকেন শামী কাবাব। ভারী খাবারের তালিকায় আছে বিফ কাচ্চি বিরিয়ানি, বিফ আকনি বিরিয়ানি, মাটন কাচ্চি বিরিয়ানি, মাটন পায়া, গরুর নলা, মাটন চুইঝাল, মাটন লেগ কোরমা, দেশি মোরগ মোসল্লাম ও স্পেশাল মোরগ পোলাও।

ফাস্টফুড আইটেম হিসেবে রয়েছে চিকেন মোমো, চিকেন শর্মা, বিফ এগ রোল, চিকেন এগ রোল এবং ফিশ টিক্কা কাবাব। এছাড়া ডেজার্ট ও পানীয়ের মধ্যে আছে মহিষের টক দই, মিষ্টি দই এবং ম্যাংগো লাচ্ছি। রেস্টুরেন্টটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল বাহার বলেন, আমাদের নিয়মিত ইফতারি আইটেমের পাশাপাশি এখানের জিলাপি, মাহালাবিয়ানা এবং মেজবানির চাহিদা বেশ বেশি। প্রতিদিনের খাবার বিকাল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যেই প্রায় শেষ হয়ে যায়। আমাদের খাবারের গুণগত মান ও স্বাদ অন্য যেকোনো রেস্টুরেন্ট থেকে আলাদা। তাই ক্রেতারা নিশ্চিন্তে এখানে ইফতার কিনে নিতে পারেন।

ইফতার কিনতে আসা নগরীর চকবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, রোদেলা বিকেলের হালিম আর মেজবানি অনেকদিন ধরেই জনপ্রিয়। স্বাদ ভালো হওয়ায় রমজানে প্রায়ই এখান থেকে ইফতার নেওয়া হয়।

অন্যদিকে আগ্রাবাদ এলাকার বাসিন্দা নুসরাত জাহান বলেন, এখানে খাবারের আইটেম অনেক বেশি। বিশেষ করে জিলাপি, ফিরনি আর কাচ্চির স্বাদ ভালো লাগে। পরিবার নিয়ে ইফতারের জন্য এখান থেকে খাবার নেওয়া সুবিধাজনক। বৈচিত্র্যময় মেন্যু, ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ও মানসম্মত খাবারের কারণে এবারের রমজানেও ভোজনরসিকদের কাছে আস্থার জায়গা করে নিয়েছে ‘রোদেলা বিকেল’ রেস্টুরেন্ট।

পূর্ববর্তী নিবন্ধতত্ত্বাবধায়ক সরকার জনসাধারণের একটি নিরপেক্ষ ব্যবস্থার দাবির ফসল : আপিল বিভাগ
পরবর্তী নিবন্ধ১৫ বছরে ২১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির তথ্য দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী