মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোন ও টেকনাফ কোস্টগার্ড সদস্যরা সাগরে যৌথ অভিযান চালিয়ে পৌনে ২ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৬ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটক করেছে। এসময় ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত একটি ফিশিং বোটও জব্দ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ভোর রাত ৩ টায় সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ হতে ৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ পূর্বে বাংলাদেশ সীমানায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা।
জানা যায়, মাদকের একটি বড় চালান মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে, এই সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ডের লে. কমান্ডার আশিক আহমেদ (ট্যাজ) বিএন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে সেন্টমার্টিন সাগর এলাকায় যৌথভাবে ১ টি বিশেষ অভিযান চালায়। আনুমানিক রাত ৩ টায় সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ হতে ৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ পূর্বে মিয়ানমার সীমান্ত হতে একটি ফিশিং বোট বাংলাদেশ সীমানায় আসতে দেখা যায়। ওই বোটটিকে, টর্চ ও বাঁশির মাধ্যমে থামার সংকেত দিলে বোটটি না থেমে গতিবিধি পরিবর্তন করে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় কোস্টগার্ড সদস্যরা ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়েন। পরবর্তীতে রেইডিং টিম সদস্যরা ঐ বোটে তল্লাশি চালিয়ে ১ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি সীমকার্ড বিহীন স্মার্টফোন (ভাঙ্গা) জব্দ করে এবং ইঞ্জিন চালিত কাঠের বোটসহ ৬ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, মিয়ানমারে আকিয়াব জেলার ঘাটিয়াখালি থানার মাস্টর দিল মোহাম্মদ প্রদিল্লা মাঝি এলাকার মৃত নুর আহম্মদের ছেলে কেফায়েত উল্ল্যাহ (২২), মৃত আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে মো. শরিফ (২৭), জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. হোছন (৩৮), মৃত হারেদের ছেলে ছৈয়দুর রহমান (৪৩), মৃত রশিদ আহম্মদের ছেলে মো. হোছন (২৭) ও নুর কবিরের ছেলে নুর হোসেন (২১)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা জানিয়েছেন, জব্দকৃত ইয়াবা, কাঠের বোটসহ আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।









