বর্তমান সময়ে মানুষ দুনিয়াদারির মোহে পড়ে দ্বীন–ইসলাম থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছে। ইসলামের মধ্যে বিভিন্ন মতবাদ, অপসংস্কৃতি ও কুসংস্কারের অনুপ্রবেশে আল্লাহ তা’আলার ভয় এবং রাসূলুল্লাহ (দ.) এর সুন্নাত ও আদর্শ থেকে বিচ্যূত হয়ে পড়ে। ফলে সমাজে বেড়েই চলছে অন্যায়, অত্যাচার, পাপাচার, লোভ–হিংসা। এমন গোমরাহির ফলে পথ হারানো মুসলিম মিল্লাতকে হেদায়াতের আলোয় উদ্ভাসিত করে দ্বীন–ইসলামের পথে ফিরিয়ে আনতে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। তিনি মানুষকে রাসূলে পাক (দ.) এর বাতেনি নূর ও ফয়েজে কোরআন প্রদানের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি করে আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন।
গত ২৩ অক্টোবর বাদে আসর হতে রাউজান কাগতিয়া কাশেম নগরস্থ মসজিদে গাউছুল আজম মুনিরী মাঠ প্রাঙ্গণে কাশেম নগর সান সাইন যুব সংঘের উদ্যোগে পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন এবং খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্মরণে আয়োজিত ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসলিম মিল্লাতের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবারের মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল (দ.) আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী এসব কথা বলেন।
মাহফিলে বক্তব্য দেন– উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম ও মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী ফয়সাল। মিলাদ কিয়াম শেষে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












