একদিনের ব্যবধানে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল নিয়ে আরেকটি জাহাজ গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। গতকাল দুপুরে জাহাজটি পতেঙ্গায় জ্বালানি তেল খালাসের জেটিতে ভিড়ে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) মহাব্যবস্থাপক মোরশেদ হোসেন আজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে ৯০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে অপর তিনটি জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে।
বিপিসির অপর একটি সূত্র জানায়, চলতি মার্চ মাস ও আগামী মাসে দেশের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজনীয় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির এলসি ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে। প্রতিটি চালানের সাপ্লায়ার রয়েছেন। তাদের সাথে বিপিসির চুক্তি রয়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দুই–চার দিন এদিক–ওদিক হলেও তেল পাঠানো হচ্ছে।
সাপ্লায়াররা সরবরাহ বন্ধ করেননি উল্লেখ করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা বলেন, বিপিসি পরিশোধিত যেসব তেল আমদানি করে তা মূলত ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে সাপ্লাই দেওয়া হয়। ওখানে রিফাইনারিতে এসব তেল পরিশোধন করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিবহনে কোনো সমস্যা নেই। ওখান থেকে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ নিয়মিত আসবে জানিয়ে বিপিসির ওই কর্মকর্তা বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রতিদিন দুই হাজার টন ডিজেল উৎপাদন করে। এর বাইরে গতকাল ভারত থেকে এসেছে ৫ হাজার টন। দুদিনে বিদেশ থেকে এলো প্রায় ৫৫ হাজার টন। আগামী তিন দিনের মধ্যে আসছে আরো ৯০ হাজার টন। দেশে প্রতি মাসে ১৫টি জাহাজ তেল নিয়ে আসে এবং এগুলোর সিডিউল ঠিক আছে। সব মিলিয়ে জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।











