তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ এখন ভাতা পাচ্ছে। এর বাইরেও ভিজিডি, ভিজিএফ, ফ্যামেলি কার্ডসহ নানা সুবিধা পাচ্ছে মানুষ। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার নৌকা মার্কার সরকার এসব ভাতা চালু করেছে। যা আগের কোন সরকার করে দেখাতে পারেনি। সামাজিক কল্যাণ রাস্ট্র গঠন করার লক্ষেই আওয়ামীলীগ সরকার নানা ধরনের ভাতা চালু করেছে।
রোববার (১২ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের উপকারভোগী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ইউপি প্রাঙ্গণে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম তালুকদার। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা যুবলীগের সাবেক জ্যেষ্ট সহসভাপতি খালেদ মাহমুদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম তালুকদার, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ইদ্রিছ আজগর, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সামশুল আলম তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক নিজাম বাদশা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি বদিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. ইছহাক, যুবলীগ নেতা মো. শোয়াইব, আবদুল জব্বার, মাওলানা নুরুল আজিম প্রমুখ। সভায় ইউপি সচিব নিতাই চক্রবর্তীসহ আওয়ামীলীগ, অঙ্গসংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ইউপি সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, “১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে প্রথম বয়স্ক ও বিধবা ভাতার প্রচলন করেছিল। বিএনপি এসে তা আর বাড়ায়নি। বরং অনেকক্ষেত্রে চরম অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছে। আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ভাতার পরিমাণ যেমন বাড়িয়েছে তেমনি ভাতার সংখ্যাও বাড়িয়েছে। শেখ হাসিনা যদি আবার ক্ষমতায় না আসে তবে এসব ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে।”
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, “আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়েছে। ভোট আসলে অনেকে অনেক কথা বলে। অথচ দেশের দুর্যোগ-দুর্বিপাকে কিংবা সাধারণ মানুষের বিপদে তাদের সারা বছর দেখা যায় না। ভোট আসলে যারা বড় বড় কথা বলে তাদের জিজ্ঞেস করবেন আওয়ামী লীগ যে পাকা রাস্তা করেছে ক্ষমতায় গেলে তারা রাস্তার গর্তটুকু ভরাট করতে পারবে কিনা।”
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেছে। দেশ আজ উন্নয়নে পাল্টে গেছে। রাঙ্গুনিয়াতেও হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে গত ১৪ বছরে সকলের জন্য আমার দরজা খোলা রেখেছি। আগামীতে আপনারাও আমার জন্য আপনাদের দরজাটি খোলা রাখবেন এবং আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার আহবান জানাই।”











