খাগড়াছড়িতে অতি দুর্লভ প্রজাতির একটি এশীয় কালো ভালুক, ৬টি মায়া হরিণ ও ২টি বানর উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের তেঁতুল তলা এলাকায় সাবেক ইউপি সদস্য নবদ্বীপ চাকমার বাগানবাড়ি থেকে প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি বন বিভাগ ও চট্টগ্রামের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।
খাগড়াছড়ি বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ফরিদ মিঞা জানান, বিভিন্ন সময় বন্যপ্রাণীগুলো বন থেকে ধরার পর লালন পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দা নবদ্বীপ চাকমা। বন্যপ্রাণী শিকার বা বেআইনিভাবে লালন পালনের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি নিজেই বন বিভাগকে খবর দেন। এর ভিত্তিতে বন্য প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করে চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের প্রাকৃতিক বনে বিচরণের জন্য হস্তান্তর করা হয়। এসময় সাবেক ইউপি মেম্বার নবদ্বীপ চাকমা বলেন, এলাকার মানুষরা বন থেকে প্রাণীগুলোকে শিকার করে মেরে ফেলতো। আমি তাদের কাছ থেকে নিয়ে প্রাণীগুলোকে লালন–পালন করে বড় করি এবং বন বিভাগকে খবর দিই। বন্যপ্রাণী মারা ও ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ। তাছাড়া বিচরণের জন্য প্রাণীগুলোর অভয়ারণ্য দরকার। তাই আমি খাগড়াছড়ি বন বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করি।
খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা জানান, খাগড়াছড়ি বন বিভাগ বন্য প্রাণী রক্ষার্থে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ি বন বিভাগ, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রাম টিমের যৌথ অভিযানে বন্যপ্রাণীগুলোকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।












