সাধ্য ও সামর্থ্যের যথেষ্ট প্রমাণ রেখে ও গুণবান মানুষকে ভুগতে হয় অস্তিতের সংকটে। যোগ্যতর মানুষকে থাকতে হয় সুবিধা বঞ্চিত। অথচ হাতে থাকে আদর্শের ধ্বজা। শিক্ষিত বলে আমরা দাবী করি। প্রশ্ন জাগে, বিস্ময় সৃষ্টি করার যোগ্যতা থাকলেও মানুষ সক্রিয় নয় কেন? হ্যাঁ, আমাদের মনোযোগ মোটেও সেদিকে থাকে না। আমরা মহত্বের প্রকাশ ঘটাতে চায়, অনুরাগ করে নয়। সাহায্য দান করে। শিল্পকলা ও সংস্কৃতির অনেক বিদগ্ধজন অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- মানুষের সামর্থ্যকে মর্যাদা দেওয়া সভ্যতা। কৃতী মানুষদের অবহেলা করলেও দাফন কাফনের বেলায় আমরা দ্বিধাহীন চিত্তে সমবেত হই। তা হয়ে উঠে মৃত্যু উদযাপন। আমাদের কর্তব্য ছিল জীবন উদযাপন। হায়রে নিয়তি, কোথায় আমাদের অবস্থান? কতক কথা বলি হারে, কতক লালন করি? আমাদের ছিল বিস্ময়কর মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা। পরিচর্যার অভাবে সৃজনশীলতার মান চলে গেল মেঘের আড়ালে। হারিয়ে গেলেন সুরকার শিল্পী, কবি, লেখক গায়ক, শিক্ষাবিদ, অভিনেতা, নাট্যকার সমাজবিদ, দার্শনিক, গবেষক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ইতিহাসবিদ, সাংস্কৃতিক পণ্ডিত সাংবাদিক সহ অনেক বিজ্ঞ জ্ঞানী গুণী ও স্বপ্নদ্রষ্টা। তাই অবয়ব প্রশ্ন জাগে-গুণের কদর, মূল্য দেওয়ার কতটা সাধ্য আছে আমাদের? অনেক মহত্ববান চলে গেল চিকিৎসার অভাবে আমরা তো দেশের স্বার্থ ও ব্যয় ভার বহনের অদৃষ্ট কান্নায়। কবে হবে সত্তার সংস্কার মূলক সঠিক পথচলা! সাধ্য আর সামর্থ্যে অপরিসীম কর্মকাণ্ডের সঠিক প্রতিফলন। বিধাতা তুমি রক্ষা করো, সাধ্য আর সামর্থ্যের দোলাচলে।












