সাজায় স্থগিতাদেশ চেয়ে রাহুল গান্ধীর আবেদন খারিজ গুজরাট হাই কোর্টে

| শনিবার , ৮ জুলাই, ২০২৩ at ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

মানহানির মামলায় পাওয়া সাজার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে রাহুল গান্ধীর করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে গুজরাট হাই কোর্ট। গতকাল শুক্রবার এ আদালত বলেছে, মোদী পদবি নিয়ে কটূক্তির জেরে নিম্ন আদালত কংগ্রেসের সাবেক সভাপতিকে যে সাজা দিয়েছে তা যথার্থ। গুজরাট হাই কোর্টের এ রায়ে রাহুলের পক্ষে সংসদ সদস্যপদ ফিরে পাওয়ার আশা ফিকে হয়ে এল। এখন তাকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে হবে। সেখানেও একই রায় বহাল থাকলে তিনি আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হতে পারবেন না বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। ২০১৯ সালের মার্চে কর্ণাটকে এক নির্বাচনী সমাবেশে কটাক্ষ করে রাহুল বলেছিলেন, সব চোরের পদবি মোদী হয় কী করে? নীরব মোদী, ললিত মোদী, নরেন্দ্র মোদী। পলাতক ভারতীয় ডায়মন্ড ব্যবসায়ী নীরব মোদী এবং ভারতীয় ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগের সাবেক প্রধান ললিত মোদী, যাকে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড আজীবন নিষিদ্ধ করেছে, তার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে টেনে করা এ মন্তব্যে মোদী পদবিধারী সবাইকে অপমান করা হয়েছে অভিযোগ তুলে রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন বিজেপির বিধায়ক পুর্নেশ মোদী। খবর বিডিনিউজের।

গুজরাটের সুরাটের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ বছরের ২৩ মার্চ ওই মামলায় সাবেক কংগ্রেস সভাপতিকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়। উচ্চ আদালতে আপিলসহ সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাহুলকে গ্রেপ্তার না করারও নির্দেশ দেয় তারা। এ আদেশের পরদিন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে লোকসভায় অযোগ্যও ঘোষণা করা হয়। ইন্দিরা গান্ধীর পৌত্র পরে তার সাজার বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে যান। সেখানকার বিচারকও ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায়ই বহাল রাখেন। এরপর রাহুল ছোটেন হাই কোর্টে। শুক্রবার সে আদালতের রায়ও তার বিপক্ষে গেল। রাহুলের এ সাজাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিহিত করেছে কংগ্রেস। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিজেপি বলছে, রাহুলের বিরুদ্ধে হওয়া এ মামলায় স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনাবলুসে ইসরায়লি বাহিনীর অভিযানে ২ ফিলিস্তিনি নিহত
পরবর্তী নিবন্ধহেডফোন ব্যবহারে শ্রবণশক্তির ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয়