২০২৪ সালের ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা হয়। গত দুই বছর ধরে সাকিব–মাশরাফি দুইজনই দেশের ক্রিকেট থেকে দূরে আছেন। নতুন ক্রীড়া মন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, নির্দোষ প্রমাণিত হয়েই সাকিব–মাশরাফি ক্রিকেটে ফিরতে হবে। ২০২৪ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছেড়েছিলেন সাকিব। ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে আর দেশে ফেরা হয়নি তাঁর। উল্টো হত্যা মামলায় হুকুমের আসামি করায় দেশে ফেরার সাহস পাচ্ছেন না বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। অন্যদিকে দেশে থাকলেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না মাশরাফি। আওয়ামী লিগ পতনের পর তার নড়াইলের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে হয় একাধিক মামলা। সাকিব ও মাশরাফির স্বাভাবিক জীবনে ফেরার বিষয়টি নিয়ে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুলের আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এ ব্যাপারে কয়েক দফা কথা বলেন আমিনুল হক।
বুধবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল পল্লবী বিদ্যানিকেতন স্কুলে ৫০০ অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার বিতরন করেন। সেখানেই গনামাধ্যমের সাথে নতুন করে সাকিব–মাশরাফিকে নিয়ে কথা বলেছেন তিনি, ‘আমি একজন খেলোয়াড় হিসেবে মনে করি, সাকিব ও মাশরাফি বাংলাদেশের লেজেন্ডারি ক্রিকেটার। দেশের মানুষের যে ভালোবাসা আমি তাদের প্রতি দেখেছি এবং খেলার প্রতি তাদের যে আকৃষ্টতা রয়েছে, সেটি সত্যিই অনন্য।’ মামলা প্রসঙ্গে আমিনুল স্পষ্ট করে বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা রয়েছে, সেটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের ব্যক্তিগত আইনজীবীর মাধ্যমে বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে হবে। তারা যদি আইনগত বিষয়গুলো ফেস করে নিরপরাধ প্রমাণিত হন এবং দেশের মাঠে ফিরে খেলতে চান, একজন স্পোর্টসম্যান হিসেবে আমি অবশ্যই তাদের স্বাগত জানাব।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা সবাই চাই বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে যাক। যারা দেশের জন্য দীর্ঘদিন খেলেছেন, তাদের অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। সবকিছু আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান হওয়াই উচিত।’












