সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ দিনে গতকাল শনিবার সিঙ্গেলস ইভেন্টে খই খই সাই মারমা, নাফিজ ইকবাল, আবুল হাসেম হাসিব এবং মো. মিদুল রহমান– এই চার প্যাডেলার কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় নেওয়ায় বাংলাদেশের আর নতুন কোনো পদক যোগ হয়নি। ফলে পুরো টুর্নামেন্টে ১টি স্বর্ণ, ১টি রৌপ্য ও ৬টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮টি পদক নিয়ে রানার্স আপ হয়েছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে আয়োজক ও সবচেয়ে শক্তিশালী দল ভারত সব ইভেন্টে শতভাগ আধিপত্য বজয়া রেখে ১৩টি স্বর্ণ ও ৪টি রৌপ্যসহ মোট ১৭টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা ৩টি রৌপ্য ও ১১টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৪টি পদক নিয়ে তৃতীয়, নেপাল ৩টি রৌপ্য ও ৭টি ব্রোঞ্জসহ ১০টি পদক পেয়ে চতুর্থ এবং মালদ্বীপ ৩টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ ৭টি পদক নিয়ে পঞ্চম স্থান অধিকার করে। শেষ দিনে অনূর্ধ্ব–১৯ বালক দ্বৈতের ফাইনালে নাফিজ–হাসিব জুটি স্বর্ণ জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করলেও ভারতের রাজশেখরন–সেথিল জুটির কাছে ১–৩ সেটে (১১–৯, ৭–১১, ৪–১১, ৫–১১) পরাজিত হয়ে রৌপ্য নিয়েই বাংলাদেশকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন অনূর্ধ্ব–১৯ দলের এক নম্বর র্যাঙ্কিংধারী খেলোয়াড় আবুল হাসেম হাসিব (জুনিয়র হাসিব)।
তিনি দলগত ইভেন্টে স্বর্ণ, দ্বৈতে রৌপ্য এবং মিশ্র দ্বৈতে ব্রোঞ্জ জিতে মোট তিনটি পদক অর্জন করেন। একই দলের নাফিজ ইকবাল দলগত স্বর্ণ ও দ্বৈতে রৌপ্যসহ দুটি পদক জেতেন। জয় ইসলাম ও তাহমিদুর রহমান সাকিব দলগত ইভেন্টে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। অনূর্ধ্ব–১৫ বিভাগে মো. মিদুল রহমান দলগত, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে তিনটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন। এছাড়া মো. শাহীন আহম্মেদ দলগত ও দ্বৈতে দুটি এবং তামজিদুর রহমান পরশ দলগত ইভেন্টে একটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন। বালিকা বিভাগে খই খই সাই মারমা দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে দুটি ব্রোঞ্জ, রেশমী তৈঞ্চঙ্গা দ্বৈতে একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন। অনূর্ধ্ব–১৫ বালিকা দলের রোজা ইসলাম দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতে দুটি ব্রোঞ্জ এবং মোসা. রাফিয়া চৌধুরী দ্বৈতে একটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন।













