অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব থেকে অবসর নেওয়ার পর মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে জাপান সফরের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। মর্যাদাপূর্ণ সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একটি যৌথ সামুদ্রিক গবেষণা উদ্যোগে অংশ নিতে তিনি জাপানে যাবেন বলে দেশটির এক প্রতিনিধি দলকে তিনি জানিয়েছেন।
গত রোববার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় সাবেক জাপানি ফার্স্ট লেডি আকি আবে এবং জাপানি উদ্যোক্তাদের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তাদের এ কথা বলেন মুহাম্মদ ইউনূস। সরকারপ্রধানের দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ সমপ্রসারণের কথা বলেন। পাশাপাশি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানে চাকরির জন্য আরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের আহ্বান জানান। আকি আবে বাংলাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের ‘প্রশংসা’ করেন। খবর বিডিনিউজের।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এবং সাবেক ফার্স্ট লেডির মধ্যে বিনিয়োগ, সামুদ্রিক গবেষণা এবং বড় বয়স্ক জনসংখ্যার দেশ জাপানের জন্য সেবিকা ও নার্স নিয়োগে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। আবে বিশেষভাবে সামুদ্রিক দূষণ রোধে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে যাতে আবর্জনা ফেলা না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা এই প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করতে চাই। আমি আশা করি ভবিষ্যতে আমরা কিছু করতে পারব। তিনি সামুদ্রিক দূষণের ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত করতে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
প্রধান উপদেষ্টা জাপানি প্রতিনিধিদলকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের দায়িত্ব থেকে অবসর নিয়ে তিনি মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে টোকিও সফরের পরিকল্পনা করেছেন। এই সফরের উদ্দেশ্য হল সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একটি যৌথ সামুদ্রিক গবেষণা উদ্যোগে অংশগ্রহণ।












