সবার আগে ফাইনালে চট্টগ্রাম

বিপিএল

ক্রীড়া প্রতিবেদক | বুধবার , ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

আর্থিক সঙ্কটের কথা জানিয়ে বিপিএল শুরুর আগের দিন চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা ছেড়ে দিয়েছিল ট্রায়াঙ্গল সার্ভিসেস। তারা কি এখন মাথায় হাত দিয়েছেন! পরিস্থিতি সামাল দিতে দলটির পরিচালনার ভার নিজেদের কাঁধে তুলে নেয় বিসিবি। দারুণ পারফরম্যান্সে সেই দলটিই সবার আগে পৌঁছে গেল ফাইনালে। বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহীকে ৬ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জয়ের শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে বন্দর নগরীর দল চট্টগ্রাম রয়্যালস। ম্যাচ শেষ হয় তিন বল বাকি থাকতেই। কম রানের পুঁজি নিয়ে দারুণ লড়াই করলেও পেরে উঠেনি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। অধিনায়ক শেখ মেহেদি হাসানের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স চট্টগ্রামকে নিয়ে গেছে ফাইনালে। মিরপুর শেরবাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহীকে ১৩৩ রানে গুটিয়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন চট্টগ্রামের বোলাররা। চট্টগ্রাম লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তিন বল হাতে রেখে। ১৯.৩ ওভারে চট্টগ্রাম ৪ উইকেটে তুলে নেয় ১৩৪ রান।

তবে হেরে গেলেও ফাইনালে যাওয়ার আরেকটি সুযোগ পাচ্ছে রাজশাহী। এলিমিনেটর ম্যাচে শেষ বলের ছক্কায় ফেভারিট রংপুর রাইডার্সকে হারিয়ে দেওয়া সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে আজ বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল রাজশাহী।

গতকাল শেষ ওভারে চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল ৯ রান। রিপন মন্ডলের প্রথম বলে এক রান নেন আমের জামাল। পরের বলে লং অফের ওপর দিয়ে চমৎকার শটে ছক্কা মারেন শেখ মেহেদি। তৃতীয় বলে দুই রান নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি। বল হাতে চার ওভারে ২০ রানে ২ উইকেট নেওয়ার পর, ব্যাটিংয়ে ২ ছক্কায় ৯ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচ’ মেহেদিই।

আগের ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও উইকেট ছিল মন্থর। ব্যাটিং করা খুব একটা সহজ ছিল না ব্যাটারদের জন্য। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহীর শুরুটাও ছিল মন্থর। ২০ ওভারে ১৩৩ পর্যন্ত যেতে পারে রাজশাহী। চট্টগ্রামের হয়ে শেখ মেহেদির মতো আমের জামালেরও শিকার ২টি উইকেট। এছাড়া একটি করে উইকেট পান শরিফুল, মুকিদুল, তানভির, বেইগ এবং নাওয়াজ।

রান তাড়ায় সতর্ক ব্যাটিংয়ের পথ বেছে নেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও বেইগ। প্রথম ১০ ওভারে আসে ৫২ রান। তিন চারে ৩৮ বলে ৩০ রান করে নাঈম বিদায় নেন দ্বাদশ ওভারে। থামে ৭০ বলে ৬৪ রানের উদ্বোধনী জুটি। শেষ দুই ওভারে দরকার যখন ১৯ রান, ১৯তম ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর প্রথম বল ছক্কায় উড়িয়ে দেন শেখ মেহেদি। পঞ্চম বলে ছক্কার চেষ্টায় আউট হয়ে যান বেইগ। ৪৭ বলে ৪৫ রান করেন তিনি। ম্যাচ শেষ করে আসেন মেহেদী অপরাজিত ১৯ এবং হাসান ১। রাজশাহীর সাকলাইন ২টি, বিনুরা এবং হাসান ১টি করে উইকেট পান।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনিলামের পণ্য কেনার পরও খালাস করতে বিডারদের গড়িমসি
পরবর্তী নিবন্ধরেলের ভূমি দখলে ‘পরিকল্পিত’ আগুন, পুড়ল কয়েকশ চারাগাছ