সন্দ্বীপে তিন মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির ৪ নেতাকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড

জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ

জালজালিয়াতির মাধ্যমে ১৭ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা আত্মসাতের দায়ে সন্দ্বীপের পশ্চিম দক্ষিণ রহমতপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির দলনেতা মো. ছাত্তারকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে আত্মসাতকৃত টাকার সমপরিমাণ অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদক পিপি মো. এনামুল ইসলাম দৈনিক আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড কর্তৃক জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীদের পুনর্বাসন করার লক্ষে ২০০০ সালের আগস্ট মাসে একটি ফিশিং বোট, মাছ ধরার জালসহ কতিপয় সরঞ্জাম এবং নগদ ৪৮ হাজার টাকাসহ মোট ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ২২৫ টাকা করে ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়। পরে ঋণ সুবিধা গ্রহণকারীরা তা আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো, চট্টগ্রামের পরিদর্শক মবিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মো. ছাত্তারসহ দু’জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশট দাখিল হলে বিচারক ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিল দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। চার্জশিটভুক্ত অপর আসামি কেফায়েত উল্ল্যাহকে খালাস দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আদালতসূত্র জানায়, একই অভিযোগে দায়ের হওয়া পৃথক আরো তিনটি মামলায় গতকাল আদালত একই রকম রায় ঘোষণা করেছেন। তিন মামলায় তিনজন দলনেতাকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড ও আত্মসাৎকৃত টাকার সমপরিমাণ অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ১ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এ তিন আসামি হলেনদক্ষিণ পূর্ব মাইট ভাংগা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির দলনেতা মো. নুরুল ইসলাম ও পশ্চিম মাইট ভাংগা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির দলনেতা মিজানুর রহমান ও ওমর ফারুক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমূল লড়াই বিএনপি-জামায়াতের
পরবর্তী নিবন্ধউপদেষ্টাদের কার কত সম্পদ