জাল–জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে সন্দ্বীপের ৪টি মৎস জীবী সমিতির ৬ জনকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন– মধ্য রহমতপুর মৎসজীবী সমবায় সমিতির মো. আবু সুফিয়ান ও জহিরুল ইসলাম, দক্ষিণ পূর্ব মাইট ভাংগা মৎসজীবী সমবায় সমিতির মো. সেকান্দর হোসেন, পূর্ব মাইট ভাংগা মৎসজীবী সমবায় সমিতির আবুল বশর ও সাহাব উল্লাহ এবং পশ্চিম দক্ষিণ রহমদপুর মৎসজীবী সমবায় সমিতির রাকিবুল মাওলা। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচার মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম–১ এর উপ–পরিচালক সুবেল আহমেদ দৈনিক আজাদীকে বলেন, ৪টি মৎসজীবী সমিতির ৬ জন দলনেতার প্রত্যেককে ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ২২৫ টাকা করে আত্মসাতের দায়ে ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে দুদকের পক্ষ থেকে নগরীর কোতোয়ালী থানায় পৃথক ৬টি মামলা দায়ের হয়।
অভিযোগ ছিল– বাংলাদেশ জাতীয় মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর জরুরি পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত মৎসজীবীদের পুনর্বাসন করার লক্ষে ২০০০ সালের আগস্ট মাসে দেওয়া একটি ফিশিং বোট, মাছ ধরার জালসহ কতিপয় সরঞ্জাম এবং নগদ ৪৮ হাজার টাকাসহ মোট ১৭ লাখট ৫৪ হাজার ২২৫ টাকা করে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছেন ৬ আসামি।
সবমিলে আত্মসাৎকৃত টাকার পরিমাণ কোটি টাকার উপর। ৫ বছর করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৬ আসামিকে আত্মসাতকৃত টাকার সমপরিমাণ তথা ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ২২৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলেও জানান দুদক কর্মকর্তা। আদালতসূত্র জানায়, মামলাগুলোর তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল করা হলে ২০১৪ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।











