সন্দ্বীপের সাবেক সংসদ সদস্য মিতার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ

আজাদী প্রতিবেদন | বৃহস্পতিবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ প্রায় ১০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখার অভিযোগে সন্দ্বীপের সাবেক সংসদ সদস্য ও রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মিতার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। গতকাল দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম২ এ মামলাটি দায়ের করেন কার্যালয়টির সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ।

মামলার এজহারে বলা হয়, মাহফুজুর রহমান মিতা ২০০২০৩ কর বর্ষ থেকে ২০২৪২৫ কর বর্ষ পর্যন্ত সংসদ সদস্য ও অন্যান্য ভাতা, গৃহভাড়া, লভ্যাংশ, ঋণ, গাড়ি বিক্রি এবং অন্যান্য উৎস মিলিয়ে ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪৯ টাকা আয় করেছেন। তবে আয়কর নথিতে তার প্রদর্শিত ব্যবসা ও মৎস্য খাত বাবদ যথাক্রমে ৪ কোটি ৭৪ লাখ ১১ হাজার ৫৮ টাকা ও ৪ কোটি ৫৮ লাখ ৭২ হাজার ২৬৩ টাকার পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। একইভাবে ২০১১১২ থেকে ২০১৬১৭ করবর্ষ পর্যন্ত স্ত্রীর কাছ থেকে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার দাবি করা হলেও এর বৈধ উৎস বা প্রমাণ মেলেনি।

এজহারে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সময়ে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ছিল ৯ কোটি ৯১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩২ টাকা। এতে তার সঞ্চয় দাঁড়ায় ৭৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩১৭ টাকা। অন্যদিকে, অনুসন্ধানে তার নামে ২ কোটি ২৩ লাখ ৯৮ হাজার ৮২২ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ৩৯ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪২ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে মাহফুজুর রহমান মিতার মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৬৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৪ টাকা। ব্যয় বাদে বৈধ সঞ্চয়ের তুলনায় ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার ১৪৭ টাকার সম্পদের উৎস পাওয়া যায়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। যা তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে অর্জন করেছেন।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ দৈনিক আজাদীকে মামলা দায়েরের তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধযত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকারের ভোট : মন্ত্রী ফখরুল
পরবর্তী নিবন্ধকীভাবে চলবে চসিক, মেয়রের মেয়াদ শেষ হচ্ছে রোববার