রাষ্ট্রের আর্থিক খাত একটি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড, আর সেই মেরুদণ্ডকে শক্ত রাখেন ব্যাংকাররা। কিন্তু সমপ্রতি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি–সহ দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাতকানিয়া, বাঁশখালী, পটিয়াসহ নানা এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার ব্যাংকার হঠাৎ চাকরিচ্যুত হয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের পর সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে যথাযথ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
একটি চাকরি কেবল ব্যক্তিগত আয়ের উৎস নয়, এটি একটি পরিবারের নিরাপত্তা, সন্তানদের শিক্ষা ও বয়স্ক পিতা–মাতার চিকিৎসার ভরসা। হঠাৎ কর্মহীনতা বহু পরিবারকে আর্থিক ও মানসিক সংকটে ফেলেছে। সমপ্রতি সিপ্লাস টিভি–তে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারেও এমন বাস্তবতার চিত্র উঠে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে পুনর্বহালের দাবি উঠেছে। রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে ন্যায়, স্বচ্ছতা ও মানবিকতা থাকা অপরিহার্য। প্রয়োজনে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রতিটি কেস পর্যালোচনা করা যেতে পারে। যেখানে অন্যায় প্রমাণিত হবে, সেখানে পুনর্বহাল বা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা উচিত। কারণ একটি চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া মানে শুধু একটি পদ নয়, একটি পরিবারের স্বপ্ন, স্থিতি ও সমাজের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে দেওয়া । তাদের প্রত্যেকের পরিবারকে বাঁচাতে রাষ্ট্র মানবিক হবে, এটা সর্বস্তরের প্রত্যাশা।












