সত্য সুন্দর–আর এই সুন্দরের পথেই আমাদের প্রতিদিনের চলার গল্প। কিছু মানুষের মৃত্যু হয় না, কারণ তাদের সততা, মানবিকতা ও কর্ম তাদের চিরকাল বাঁচিয়ে রাখে। যারা সত্যকে পাথেয় করে জীবনযাপন করেন, মানবিক কাজ করাই যাদের জীবনের মূল অঙ্গীকার, তারাই মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকেন।
মানুষ তার স্বপ্নের সমান। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের জীবন এগিয়ে চলে। জীবন যেন এক বহতা নদী– প্রবল স্রোতে ছুটে যায়, কারও জন্য থেমে থাকে না। বর্তমান সময় যেন আরও দ্রুত গতিতে অতিক্রান্ত হচ্ছে। তাই জীবনে যত বেশি ইতিবাচক মানুষের সংস্পর্শে থাকা যায়, জীবন তত সহজ ও সুন্দর হয়ে ওঠে।
জীবন সবসময় হাসি–খুশিতে কাটে না। নানা রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, মোকাবিলা করতে হয় নানা চড়াই–উৎরাই। ঠিক যেমন সব পেশার মানুষ প্রয়োজন, তেমনি সমাজে সততারও প্রয়োজন সবার জন্য। আমরা শৈশব থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করি, তবে আরও বেশি দরকার বড়দের কথা মান্য করা এবং সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মান প্রদর্শন করা। বিশেষ করে শিশুদের মন বুঝতে হবে, কারণ তারাই আমাদের ভবিষ্যৎ।
আমাদের জীবন সুখ–দুঃখ, আশা–নিরাশা ও নানা কাজ–কর্মের চিন্তা–চেতনায় পূর্ণ। সময়ের সাথে ধৈর্য সহকারে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়। অশুভ শক্তি বা নেতিবাচক চিন্তার মানুষদের কারণে অনেক সময় কাজে বাধা সৃষ্টি হয়, যা কাম্য নয়। তখন জীবন মুহূর্তের জন্য বৈচিত্র্যহীন ও আনন্দহীন হয়ে পড়ে। জীবন প্রেম–বিরহে, সুখ–দুঃখের গল্পে ভরা এক বাস্তব কল্পকথা। কখনো তা অলীক কল্পনা, আবার কখনো কঠিন বাস্তবতার নির্মম সত্য। মানুষের জীবনভাবনা সবার আলাদা, তাই সবার চিন্তা–চেতনা এক নয়। কেউ চায় বিশাল উঁচু অট্টালিকা, কেউ চায় আকাশ ছুঁতে, আবার কেউ চায় নিজের ছোট ছোট চাহিদা পূরণ করে শান্তিতে বাঁচতে।
তবুও দেখা যায়, কেউই পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয়। এটাই বাস্তবতা। আমাদের তা মেনে নিতে হয়। পরিবেশ থেকেই আমরা অনেক কিছু দেখি, শিখি এবং উপলব্ধি করি। এমনকি মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্তও মানুষ শেখে। সমাজে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আজও সত্যের পক্ষেই দাঁড়িয়ে থাকে, কারণ সত্যই সতত, সত্যই চিরন্তন।










