মাইজভাণ্ডার দরবার আল্লাহ পাকের বিশেষ রহমতের স্থান। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের পরিত্রাণের উসিলা মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ। আল্লাহ পাকের নৈকট্য ও প্রিয়নবীর (দ.) সন্তুষ্টি অর্জন করতে হলে আধ্যাত্মিক মনীষী আউলিয়ায়ে কেরামের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে হবে। মাইজভাণ্ডার দরবারের আধ্যাত্মিক শরাফত তাত্ত্বিক লেখনীর মাধ্যমে ও বুদ্ধিবৃত্তিক পন্থায় তুলে ধরেছেন শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (ক.)। তাঁর আধ্যাত্মিক শক্তি, জ্ঞান–বুদ্ধির প্রখরতা ও সুমহান চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে মোহিত হয়ে সর্বস্তরের মানুষ মাইজভাণ্ডারী দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়েছে। গতকাল শনিবার ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার দরবারে শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর আল্–মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র বার্ষিক ওরশ ও খলিফা সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন দরবারের বর্তমান ইমাম ও বিএসপি চেয়ারম্যান শাহসুফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ.)। আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ট্রাস্টের যৌথ আয়োজনে ওরশের কর্মসূচিতে ছিল মাজারে গিলাফ চড়ানো, খতমে কোরআন, খতমে গাউসিয়াসহ বিভিন্ন খতম, আলোচনা, মাইজভাণ্ডারী খলিফাদের সুফিবাদী দর্শন প্রচারে বিশেষ দিকনির্দেশনা, শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মুনাজাত। আলোচনায় অংশ নেন, আনজুমানে রহমানিয়া মাইজভান্ডারীয়ার সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান মাইজভাণ্ডারী, হযরত সাঈদ মইনুদ্দিন আহমেদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের মহাসচিব ও বিএসপির কো চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী মহসীন চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা রুহুল আমিন ভূইয়া চাঁদপুরী ও মোহাম্মদ মনির হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মো. আসলাম হোসাইন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া, কামরুজ্জামান হারুন,
মো. আব্দুল বারী, খলিফা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, খলিফা মোহাম্মদ আবুল কাশেম, মাওলানা বাকের আনসারী, হাফেজ মাওলানা মুফতি মাকসুদুর রহমান, হাফেজ মাওলানা নাজম হোসাইন প্রমুখ। মিলাদ কিয়াম শেষে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি–সমৃদ্ধি কামনায় আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্–হাসানী।












