সম্ভাব্য সংঘাত ঠেকাতে তৃতীয় দফার গুরুত্বপূর্ণ পরোক্ষ বৈঠকে জেনেভায় বসেছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। পারমাণবিক চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান বলেছে, হামলা হলে জোরালো জবাব দেওয়া হবে। এমন প্রেক্ষাপটে আলোচনাটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিন ঘণ্টা আলোচনা শেষে বৈঠক স্থগিত করা হয়। মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি। তিনি জানান, আলোচকরা ‘সৃজনশীল ও ইতিবাচক ধারণা’ বিনিময় করেছেন এবং বিরতির পর আবারও বসবেন। আমরা আরও অগ্রগতির আশা করছি। তবে চুক্তির সম্ভাবনা কতটা, তা এখনও অনিশ্চিত। আগের দুই দফার মতো এবারও ইরান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি; যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
জেনেভার আলোচনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে আঞ্চলিক কনসোর্টিয়াম গঠন, ইরানের প্রায় ৪০০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে এবং যাচাই–বাছাই ও তদারকি ব্যবস্থার বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিনিময়ে ইরান অর্থনীতিকে চাপে ফেলা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায়।












