নগরের ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের বায়েজিদ থানা সড়ক প্রশস্তকরণ ও ফুটপাত নির্মাণ এবং রৌফাবাদ ও পাহাড়িকা আবাসিক এলাকার সড়ক উন্নয়ন করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এতে ব্যয় হচ্ছে ৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এছাড়া ১ কোটি ২৫ লাখ টাকায় ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডের টেকনিক্যাল মোড়ে ২৬ দশমিক ৪০ মিটার দীর্ঘ একটি ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এসব উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী–চান্দগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ।
শাহাদাত হোসেন বলেন, গত ১৬ মাসে দায়িত্ব পালনকালে আমি চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেইফ ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গঠনের চেষ্টা করেছি। শহরের যোগাযোগব্যবস্থার আমূল উন্নয়নে শিগগিরই আরো ৬০টি সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে ৪২টি সড়কের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে কার্যাদেশ প্রদানের অপেক্ষায় রয়েছে এবং আরো ১৮টি সড়কের টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে চট্টগ্রাম নগরের দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
মেয়র বলেন, কেউ অবৈধভাবে সড়ক দখল করলে তা বরদাস্ত করা হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য ফুটপাত ও রাস্তা উন্মুক্ত রাখতে হবে। ইভনিং মার্কেটসহ বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুযোগ দেওয়া হলেও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা যাবে না। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। মেয়র জানান, ৮ নং শুলকবহর ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি উপ–প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে এবং আরো ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি উপ–প্রকল্প প্রাক্কলন পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি উপ–প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে এবং প্রায় ৩০ কোটি টাকার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
এরশাদ উল্লাহ বলেন, ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে চলমান উন্নয়ন কাজে জনগণের সহযোগিতা চাই। আমরা কোনো অবস্থাতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ এদেরকে প্রশ্রয় দিই না। সন্ত্রাসীরা যত শক্তিশালী হোক না কেন, আমরা জবাব দেব। আমরা আপনাদেরকে আহ্বান করব যখনই সন্ত্রাস হবে, কোনো ধরনের অসামাজিক কাজ হলে, কোনো সমস্যা হবে সেগুলো আমাদেরকে রিপোর্ট করবেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে সরকারিভাবে আইনগত পদক্ষেপ নেব। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করতে চাই। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ হয়েছে। আমরাও সজাগ রয়েছি। আমরা চাই জনগণ স্বস্তিতে থাকুক, শান্তিতে থাকুক।












