সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপসহীন নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত চট্টগ্রামবাসী। দলের নেতাকর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সবাই শোকে কাতর। যেন শোকের সাগরে আচ্ছন্ন চট্টগ্রাম। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে ছুটে আসেন। সবাই ছিল অশ্রুসিক্ত। এছাড়া দিনভর নগরজুড়ে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ আলোচনা করেন বেগম জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন নিয়ে। বাদ যায়নি তার কারাবাস ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার আপসহীন ভূূমিকার কথাও। বিভিন্ন মসজিদে ও মহল্লায় হয়েছে খতমে কোরআন ও বেগম জিয়ার পরকালীন মুক্তি কামনা করে মিলাদ মাহফিলও।
এছাড়া গতকাল চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং সকল নেতাকর্মী কালো ব্যাজ ধারণ করেন। এ সময় খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ থেকে টানা সাত দিনব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এছাড়া আজ বুধবার দলীয় কার্যালয়ে শোকবই খোলা থাকবে, যা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সকল নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। শোকবইয়ে তারা প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা, শোকবার্তা ও দোয়া লিখে তাঁর প্রতি সম্মান জানাতে পারবেন।
আমীর খসরুর শোকবার্তা : বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় দেশের মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, মানবাধিকারের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করে গেছেন। জেল কেটেছেন নির্যাতিত হয়েছেন কিন্তু কখনো আপোষ করেননি। তিনি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতীক, ঐক্যের প্রতীক। তিনি সংগ্রামী, আপসহীন, প্রজ্ঞাবান, বিচক্ষণ নেত্রী।
এই মহীয়সী নারীর মৃত্যুতে জাতি হারালো একজন অভিভাবক, দেশ হারালো একজন মহান রাষ্ট্রনায়ককে। আন্দোলন সংগ্রামের জন্য ইতিহাস দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণীয় করে রাখবে। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত, মর্মাহত ও ব্যথিত। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের প্রাণের নেত্রী। সারা জীবন তিনি দেশ ও জাতির ভাগ্য উন্নয়নে সংগ্রাম করে গেছেন। শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রামকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভালোবাসতেন। চট্টগ্রামের উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
খসরু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ জাতির মুক্তির প্রতীক। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি সাহসী ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। চলমান সময়ে দেশনেত্রীর নেতৃত্বে পুরো দেশ এক কাতারে চলে এসেছে। তাঁর এই নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার মৃত্যুতে পুরো দেশের মানুষ শোকাহত। তিনি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণকে এই শোকাবহ সময়ে সংযম, ধৈর্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সিটি মেয়রের শোক : বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আজীবন দেশের মানুষের ভোটের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন দেশ ও জাতির জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার মৃত্যুতে দেশ একজন মহান অভিভাবক ও অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ককে হারাল। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। মেয়র দেশের সব রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণকে এই শোকাবহ সময়ে সংযম, ধৈর্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।
গিয়াস কাদেরের শোক : শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস–চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতার পক্ষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ফ্যাসিবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির আতঙ্ক দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ফ্যাসিবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে অবিনাশী মনোবল ও জনগণের অকুন্ঠ সমর্থন এবং ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন একাগ্র চিত্তে। শত জুলুম নির্যাতন সত্বেও প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের ছেড়ে কোথাও যান নি তিনি। আমার নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবের সুযোগ্য সহধর্মিনী হিসেবে গণমানুষের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কে স্বীয় দক্ষতা ও যোগ্যতাবলে পরিচালনা করে জনগণের ভালোবাসায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছেন বারবার। আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বেগম জিয়ার আপসহীন ঐতিহাসিক ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। পৃথিবীর বুকে যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিতে শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হবে বেগম খালেদা জিয়ার নাম। সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, মহান আল্লাহ যেন বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।
গোলাম আকবর খোন্দকার : বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকার এক বিবৃতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আজ জাতি একজন অভিভাবক হারিয়েছে। আপসহীন নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রয়োজন ছিল। বিগত হাসিনার সরকার তাকে নির্যাতন করে জেলে দিয়েছিল। সেখানে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। দেশবাসী কখনোই ভাবেনি তিনি এতো তাড়াতাড়ি চলে যাবেন। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে জয়ী করে বেগম খালেদা জিয়ার দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।
এদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে নাসিমন ভবন ছুটে আসেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ, সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম, চট্টগ্রাম–৯ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, শিহাব উদ্দিন মোবিন, এস কে খোদা তোতন ও শ্রমিক দল নেতা শেখ নুরুন্নাবাহার।
শোক জানিয়েছেন যারা : বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের অধিকারের জন্য তিনি আজীবন লড়াই করে গেছেন। তিনি জাতির ঐক্যের প্রতীক। তিনি আমাদের অভিভাবক, গণতন্ত্রের মা। ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও মেধা দিয়ে দেশ পরিচালনা করে দেশকে উন্নয়নের উচ্চ আসনে নিয়ে গেছেন। তার মৃত্যুতে সারা দেশ ও জাতি গভীরভাবে শোকাহত। এছাড়া চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের (সিএমসিসিআই সভাপতি খলিলুর রহমান, চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্ট এসোসিয়েশন সভাপতি ও নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম–১৬ (বাঁশখালী) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ মোহম্মদ মহিউদ্দিন, সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নছরুল কদির, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, বেসরকারি সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক সরওয়ার জাহান, উপাচার্য ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান, জাতীয় নজরুল সমাজ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি এহছানুল আজিম লিটন, হযরত শাহছুফি আমানত খান (রঃ) দরবার শরীফের আওলাদ ও সাজজাদানশীল মোতওয়াল্লী আলহাজ্ব শাহাজাদা মো. এনায়েত উল্লাহ (ম.জি. আ.), নগর ছাত্রদলের সাবেক সহ–সভাপতি শাহজাদা আহছান উল্লা খান, সিইউজের সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ, সিএমইউজের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, টিসিজেএ চট্টগ্রামের নির্বাহী কমিটির সভাপতি শফিক আহমেদ সাজীব, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম চৌধুরী মামুন ও সংগঠনটির মোহাম্মদ আলী আকবর, মোহাম্মদ আলমগীর, জহিরুল ইসলাম, বাসু দেব, পারভেজ রহমান, সাইমুন আল মুরাদ, নুর হাসিব ইফরাজ, সাইফুল ইসলাম ও রবিউল হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. জাফর হায়দার, ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও চমেক শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. ফয়েজুর রহমান, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, কেন্দ্রীয় সদস্য ও মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এম ইফতেখারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. এস এম সারোয়ার আলম, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. নুরুল করিম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ডা. ইফতেখার মো. আদনান ও কেন্দ্রীয় সহ চিকিৎসক কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. সাদ্দাম হোসেন।
আসলাম চৌধুরীর দোয়া মাহফিল : বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বাদ আছর সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন ভাটিয়ারী ইউনিয়নস্থ চট্টগ্রাম–৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসিএ এর নিজ বাসভবনে এ খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।












