২০২৫ সালের ২৫ মার্চ শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডের খেলা। এক বছর ৬ দিন পর শেষ হচ্ছে বাংলাদেশের মিশন। আজ মঙ্গলবার কালাংয়ের জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাছাইয়ের ষষ্ঠ ও শেষ ম্যাচ খেলতে নামবেন হামজা–শামিত সোমরা। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে বাংলাদেশ–সিঙ্গাপুর ম্যাচটি শুরু হবে। বাংলাদেশের জন্য যেমন এই ম্যাচটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতা, তেমন আনুষ্ঠানিকতা সিঙ্গাপুরের জন্যও। বাংলাদেশ এরই মধ্যে বাছাই পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে। আর সিঙ্গাপুর নিশ্চিত করেছে এশিয়ান কাপে খেলা। টুর্নামেন্টে এই ম্যাচের গুরুত্ব না থাকলেও গুরুত্ব আছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বলে। বাংলাদেশ জিতলে ৮ পয়েন্ট নিয়ে বাছাই শেষ করতে পারবে। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে গত বছর ১০ জুন ঢাকায় হওয়া হোম ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল ২–১ গোলে। মঙ্গলবারের দুই দলের ম্যাচটি হবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে চতুর্থ মোকাবিলা। আগের তিন সাক্ষাতে এক ম্যাচ ড্র করে দুটিতে হেরেছে বাংলাদেশ। চলমান এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ যে ৫ ম্যাচ খেলেছে তার মধ্যে দুটি ছিল অ্যাওয়ে। ভারতের বিপক্ষে গোলশূ্ন্য ড্র আর হংকংয়ের বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র করে অ্যাওয়ে ম্যাচগুলোতে ভালো ফল করেছে। সেই ধারাবাহিকতা পূর্ণতা পাবে যদি মঙ্গলবার বাংলাদেশ অন্তত ড্র করে ফিরতে পারে। তবে বাংলাদেশ এই ম্যাচটি জয়ের জন্যই খেলবে। কোনো চাপ নেই বাংলাদেশের। চাপ নেই সিঙ্গাপুরেরও। তাই ভালো একটা আকর্ষণীয় ম্যাচ হতে পারেই বলে মনে করছেন সবাই। বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের প্রথম দেখা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে মালয়েশিয়ায় মারদেকা কাপে। ১–১ গোলে ড্র হয়েছিল ম্যাচটি। পরের ম্যাচটি ছিল ২০১৫ সালে ফিফা ফ্রেন্ডলি। বাংলাদেশ হেরেছিল ২–১ গোলে। একই ফল ছিল গত জুনের এই প্রতিযোগিতার হোম ম্যাচেও। এদিকে শেষ ম্যাচের লক্ষ্য নিয়ে কোচ বলেছেন, ‘এ ম্যাচটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি এই এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার্সের শেষ ম্যাচ। আমরা যা আশা করেছিলাম, তার চেয়ে কম পয়েন্ট পেয়েছি। তাই আমরা একটি ভালো সমাপ্তি চাই। আমরা মঙ্গলবার একটি শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখাতে চাই এবং তিন পয়েন্টের জন্য লড়াই করতে চাই।’ জিতলে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হবে উল্লেখ করেন ক্যাবরেরা।সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে হোম ম্যাচের প্রসঙ্গ টেনে ক্যাবরেরা বলেছেন, ‘প্রথম ম্যাচটি খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল। ওই ম্যাচে আমাদের শুরুটা খুব ভালো ছিল। আস্তে আস্তে যে কোনো কারণেই হোক শক্তি হারিয়ে ফেলি। শেষ ২০–৩০ মিনিট আমরা যা খেলেছি তাতে আমাদের অন্তত এক পয়েন্ট পাওয়ার অনেক সুযোগ ছিল। তাই আগামীকাল অন্তত একই স্তরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশা করছি। আমরা জানি এ ম্যাচে আমাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা কেমন। আমরা প্রথম ম্যাচের সমান স্তরে থেকে একটি কঠিন লড়াই দিতে চাই।’












