স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পেছনে দেশের বাইরে অবস্থানরত একজন সন্ত্রাসীর সংশ্লিষ্টতার কথা বলছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য তুলে ধরে বলেন, দেশের বাইরে অবস্থানরত আন্ডার ওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা ওরফে দিলীপ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পেছনের নির্দেশ দাতা। কারওয়ান বাজারে ‘চাঁদাবাজি ও দখল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দিলীপের নির্দেশেই’ মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
শফিকুল ইসলাম বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার অন্যতম শুটার রহিমকে শুক্রবার ভোরে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করার পরেই এ তথ্য বেরিয়ে আসে। যেখানে রহিম এবং জিন্নাত নামে দুইজন কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকার মত কারওয়ান বাজারও আওয়ামী লীগের দখলদারিত্বের অবসান ঘটে। এরপরেই সেখানে বিএনপির একাধিক গ্রুপ দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। ‘চাঁদার ভাগ বাটোয়ারা এবং দখল নেওয়ার চেষ্টাকে’ কেন্দ্র করে বেশ কয়েক মাস ধরেই কয়েকটি গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল বলে সংবাদ সম্মেলনে আভাস দেওয়া হয়। চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটে যেখানে পুলিশ অন্তত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, তদন্তে হত্যার পেছনে এখন পর্যন্ত চাঁদাবাজির ঘটনার প্রমাণ মিলেছে। এরই মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন শুটার জিন্নাত। যাকে ১১ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় এ নিয়ে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হল বলে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।









