সঙ্গীত পরিষদের ২ দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার ১ম দিনে বক্তারা বলেছেন,এই প্রদর্শনীর আয়োজন শিশুদের প্রকৃতি এবং পরিবেশের সাথে পরিচিত করে তুলতে পারলে তারা বড় হয়ে প্রকৃতি প্রেমিক হবে। সুন্দর পৃথিবী গড়তে পরিবেশ এবং প্রকৃতিকে সমৃদ্ধ করার বিকল্প নেই। শিশু মনের সুপ্ত অনুভূতিগুলো তারা রং তুলিতে প্রকাশ করে। তাই শিশু মনে আনন্দ জাগাতে চিত্রাংকন অন্যতম মাধ্যম। গতকাল বৃহস্পতিবার সঙ্গীত পরিষদ অঙ্গনে ২৭তম বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তাগণ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। ২ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামস্থ অলিয়ঁস ফ্রঁসেজের পরিচালক ব্রনো লেক্রামপ। পরিষদ পরিচালনা কমিটির সহ–সভাপতি প্রফেসর প্রণব মিত্র চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত। বিশেষ অতিথি ছিলেন সীতাকুণ্ড লতিফা সিদ্দিকী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামে সফররত কানাডীয়ান চিত্রশিল্পী ও লেখক ডানা ওয়েসিস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক তাপস হোড়। উপস্থিত ছিলেন সাজেদুল হক, অ্যাডভোকেট সেলিনা আকতার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের শিক্ষক প্রিয়ম কৃষ্ণ দে। ৭৫ জন ছাত্র–ছাত্রীর অংকিত ছবি নিয়ে সঙ্গীত পরিষদ ২ দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের শিক্ষক–শিক্ষিকা অন্তরা দাশ, বনানী চক্রবর্ত্তী প্রমিত বড়ুয়া, অঞ্জন দাশ, সুখরঞ্জন হালদার, সুচিত্রা চৌধুরী, দীপ্ত দত্ত, দিপ্তি মজুমদার, পিন্টু ঘোষ, দেবাশীষ রুদ্র, পলাশ চক্রবর্ত্তী, শিউলি মজুমদার, হ্যাপি ঘোষ, মৌসুমি কর, দেবাশীষ দাশ, অভিষেক দাশ গুপ্ত, এ.এস.এম একরাম, সেতু ধর প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












