ভেবে দেখুন তো – শিশুর মতো পুরাতন পৃথিবীতে আর কিছু আছে? সহস্র বছর আগে ঘরে ঘরে যে শিশুর জন্ম হতো – আজো তো তেমনই, সেই চেহারা চোখমুখ – আজো তো সেভাবেই জন্ম নেয়। ভূমিষ্ট হয়ে আজো সেভাবেই কাঁদে হাসে, সেই অপরিবর্তনীয় পুরাতন – বারম্বার মানবের ঘরে শিশু মূর্তি নিয়েই জন্মগ্রহণ করে।
অথচ দেখুন দেশ কাল শিক্ষা প্রথা অনুসারে –কিশোর যুবক বয়স্ক মানুষের কতো পরিবর্তন। শত বছর আগেও এই কিশোর যুবক বয়স্করা আজকের মত ছিল না। দেহ মন মননে কোথাও এরা আগের মত নেই। চিন্তা চেতনায় ও অনেক তফাৎ, চলন বলন খাদ্যাভ্যাসেও আমূল পরিবর্তন। শিশুদের চির নবীনত্বের কারণ – শিশুরা প্রকৃতির সৃজন। কিশোর যুবক বয়স্করা বহুল পরিমাণে মানুষের নিজকৃত রচনা, সময়ের আবর্তে যুগের পরিবর্তনে, বিজ্ঞানের ছোঁয়ায়, আধুনিকতার আস্ফালনে আমরা প্রকৃতির ছোঁয়া থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছি প্রতিদিন। শিশুরাই এখনো মূঢ় মধুর সুকুমার।












