শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং চিত্রাংকনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। জোর করে তাদের কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। তাদের মনের মতো করে বেড়ে উঠার সুযোগ করে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে এটি কেবল মা–বাবার দায়িত্ব নয়। এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। মা–বাবার পর শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষক হিসেবে আমি গর্ববোধ করি, আমি জাতীয় দায়িত্ব পালন করছি যোগ্য নাগরিক গড়ার ক্ষেত্রে। শুক্রবার এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ মিলনায়তনে সঙ্গীত পরিষদ আয়োজিত ২৭তম বার্ষিক চিত্রাংকন ও চিত্রকলা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. তৈয়ব চৌধুরী এসব কথা বলেন। পরিষদের সহ–সভাপতি মীর নাজমুল আহসান রবিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দীন খান, তানজিলা খান। বক্তব্য দেন, ওমর আলী ফয়সাল, সাজেদুল হক হাসান ও অ্যাডভোকেট সেলিনা আকতার। ২৮০ জন ক্ষুদে অংকন শিল্পী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন আজিজুল কাদির ও জেসমিন আকতার। স্বাগত বক্তব্য দেন, পরিষদের সম্পাদক তাপস হোড়। সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষক প্রিয়ম কৃষ্ণ দে। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক বিভাগে ৬ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বিচারকদের সহযোগিতা করেন পরিষদের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক অনজন দাশ, দিপ্তী মজুমদার, সুখরঞ্জন হালদার। প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে পরিষদের ছাত্র–ছাত্রীরা ‘আনন্দেরই সাগর হতে’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন পরিষদের শিক্ষক অন্তরা দাশ, মনীষা রায়, বনানী চক্রবর্তী, প্রমিত বড়ুয়া, সুচিত্রা চৌধুরী, রাজীব চক্রবর্তী, ত্রিদিব বৈদ্য, দীপ্ত দত্ত, পিন্টু ঘোষ, দেবাশিস্ রুদ্র, চন্দ্রিমা বিশ্বাস, পলাশ চক্রবর্তী, রিপন সেনগুপ্ত, তন্বী বড়ুয়া, শিউলী মজুমদার, হ্যাপী ঘোষ, মৌসুমী কর, দেবাশীষ দাশ, অভিষেক দাশগুপ্ত, এস এম একরাম, সিলভী বড়ুয়া ও সেতু ধর প্রমুখ। সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন বেবী দে ও মৌমিতা বিশ্বাস। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












