শিক্ষকদের সম্মান পুনরুদ্ধারে উৎকর্ষ অর্জনের বিকল্প নেই

শিক্ষক উৎকর্ষ কেন্দ্রের উদ্বোধনে ড. হোসেন জিল্লুর রহমান

| বৃহস্পতিবার , ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

শিক্ষাই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। আর এ শক্তির প্রায়োগিক দিকটি যাঁরা বাস্তবায়ন করেন তাঁরা শিক্ষক। একসময় শিক্ষকদের জন্য যতটা সম্মানের আসন সমাজে বরাদ্ধ ছিলো ততটা এখন আছেতা নির্দ্বিধায় বলা যাবে না। পুনরায় সে স্থানটি যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হলে শিক্ষকদের উৎকর্ষ অর্জনের বিকল্প নেই। এজন্য প্রশিক্ষণ, আত্ম উন্নয়ন ও শিক্ষকদের মাঝে পারষ্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ থাকতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে। বিশ্বব্যাপী শিক্ষা পদ্ধতিতে যে পরিবর্তন প্রতিনিয়ত সাধিত হচ্ছে তার সাথে আমাদের শিক্ষকদেরও তাল মিলাতে হবে।

দেশের প্রথম শিক্ষক উৎকর্ষ কেন্দ্রের উদ্বোধনে প্রধান অতিথি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শিক্ষা ও বাণিজ্য উপদেষ্টা, ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান তাঁর বক্তব্যে উক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির বাদশা মিয়া ভবনস্থ সংগঠনের মিলনায়তনে শিক্ষাবিদ উত্তম কুমার আচার্য্য ও এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত যাত্রারম্ভ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজিম উদ্দীন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কাটিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ কল্যাণ নাথ, এনআইটি’র চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, চট্টগ্রাম ক্যান্টমেন্ট পাবলিক কলেজের অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী, ফটিকছড়ি নারায়নহাট কলেজের অধ্যাপক আনোয়ারুল করিম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কান্তি মহাজন, ওব্যাট হেল্পার্স’র কান্ট্রি ম্যানেজার সোহেল আখতার খান, মিন্টু কুমার দাশ, কাটিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যাপক আশিক সায়েম, মো. শাহজাহান ও মো. শাহাবুদ্দীন, ফারহানা হক, মো. সাজ্জাদ উদ্দীন, হালিমা সুমা, স্মৃতি চক্রবর্তী, সুফিয়া খাতুন, নেছার আহমদ খান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআনোয়ারা-কর্ণফুলীতে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না
পরবর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামে রামপুর শরীফের পীর আতিকুল্লাহ খান