শাহ আমানত বিমানবন্দরে র্যাপিড পিসিআর ল্যাব স্থাপন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা, সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, যারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উপেক্ষা করছে তাদের শক্তির উৎস জনগণ জানতে চায়। গতকাল বুধবার শাহ আমানত বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, গত ৬ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের বিমানবন্দরসমূহে জরুরি ভিত্তিতে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রামের অধিকাংশ প্রবাসী আরব আমিরাতের বিভিন্ন দেশে জীবন ও জীবিকার তাগিদে বসবাস করে। করোনা পরিস্থিতিতে বেশির ভাগ প্রবাসী দেশে এসে বর্তমানে আটকা পড়ে রয়েছে। ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে আরব আমিরাত গমন করতে হলে তাদের ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নষ্ট হয়। সেখানে তাদের অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্ট সহ্য করার মতো নয়। তাই শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে র্যাপিড পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা চট্টগ্রামের প্রবাসীদের প্রধানতম দাবি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার দুই মাস অতিবাহিত হলেও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে র্যাপিড পিসিআর ল্যাব স্থাপন না করা প্রবাসীদের প্রতি চরম অবমাননার শামিল। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে র্যাপিড পিসিআর ল্যাব স্থাপন না করলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সামনে গিয়ে অনশন করবেন বলে ঘোষণা করেন। নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছের সভাপতিত্বে এবং হাজী মো. হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাহিদ হোসেন, মামুনুর রশীদ, আব্দুর রহমান মিয়া, রুহুল আমিন তপন, নাছির আলম, ওয়াহিদুল আলম মাস্টার, আজম খান, মোরশেদ আলম, মো. সেলিম, হাফেজ মো. ওকার উদ্দিন, আবুল কালাম, সমীর মহাজন লিটন, মাইনুল ইসলাম, এম ইমরান আহমেদ ইমু, পাভেল ইসলাম, সেলিম মাস্টার, আশরাফ খোকন, ছালেহ আহমদ, মো. কাইয়ুম, হাসান হাবিব সেতু, জাগির হোসেন প্রমুখ।












