লোহাগাড়ার পুটিবিলায় ডলুখাল সংলগ্ন কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাথ পাড়া থেকে এই বালু উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। কৃষিজমি থেকে গভীর করে বালু তোলায় পার্শ্ববর্তী আবাদি জমিও বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। সেই সাথে ডাম্প ট্রাক চলাচলের কারণে ফসলি জমির ফসল উৎপাদন ব্যাহতের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক।
জানা যায়, স্থানীয় মঈন আহমদের কৃষিজমি থেকে প্রথমে মাটি ও পরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে আশপাশের জমিতে ভাঙ্গনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া একই এলাকার আরও কয়েক জনের জায়গা থেকেও বালু উত্তোলন করা হবে বলে স্থানীয়রা জানায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষিজমি থেকে কয়েকজন শ্রমিকেক ডাম্প ট্রাকে বালু ভর্তি করতে দেখা যায়। কৃষিজমিটি ডলুখালের সাথে লাগোয়া। দীর্ঘদিন যাবত চাষাবাদ করায় জমির উপরের স্তর ছিল মাটি, নিচে ছিল বালু। বালু ব্যবসায়ীরা প্রথমে মাটি ও পরে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন বলে স্থানীয়রা জানান। সেখানে অসহায় অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক অতিন্দ্র নাথেরও দেখা মিলে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক অতিন্দ্র নাথ জানান, নাথ পাড়ায় ডলুখাল সংলগ্ন ৪৪ শতক কৃষিজমি মঈন আহমদ থেকে দুই দফায় ২০২৭ সাল পর্যন্ত বর্গ নেন তিনি। সেখানে ৩০ শতক জমিতে কাকরোল চাষ করেন। চাষাবাদ অবস্থায় মেয়াদ শেষ না হওয়ার আগেই জমির মালিক জোরপূর্বক জমি নিয়ে বালু উত্তোলনের জন্য বালু ব্যবসায়ী মিনহাজকে দিয়ে দেয়। সেখান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জমির মালিক মঈন আহমদ বলেন, জায়গাগুলো আমার খতিয়ানভূক্ত। আমার জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এটি অবৈধ, সেটা আমার জানা নেই। কৃষক অতিন্দ্র নাথকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুন লায়েল জানান, কৃষিজমি থেকে বালু উত্তোলন করা অপরাধ। এই ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।












