লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলএমএস) প্রবর্তন করতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে এলএমএস বাস্তবায়নের নিমিত্তে ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার প্রধান বাহন ভালো বই। শিক্ষার্থীদের হাতে যদি ভালো পাঠ্যবই তুলে দেয়া যায়, তাহলে নোট-গাইড নির্ভরতা অনেক কমে যাবে। আমাদের ভালো মানের বইয়ের খুবই অভাব রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘কলেজ শিক্ষকরা যদি ভালো বই লেখার উদ্যোগ গ্রহণ করেন, তাদেরকে সকল ধরনের সহযোগিতা দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বই মুদ্রণ, বিপণন থেকে শুরু করে সকল দায়িত্ব গ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয়। শুধু তাই নয়, কলেজ শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের সমান সুযোগ দেয়া হবে। তাদের এককালীন সম্মানী, প্রতিবছর রয়ালিটি দেয়া হবে। ভালো বই রচনায় যদি সময় বেশি লাগে তাতেও কোনো সমস্যা নাই। প্রয়োজনে দুইবছর সময় নিয়ে হলেও ভালো বই রচনায় মনোযোগী হতে হবে। আমরা পাশে থাকবো।’ শিক্ষকদের গবেষণায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘কলা, সায়েন্স, সোশ্যাল সাইন্সসহ সকল পর্যায়ে মানসম্পন্ন গবেষণা হওয়া আবশ্যক। আমাদের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। কিন্তু ভালো গবেষণা প্রস্তাব আপনারা জমা দিলে কোনো ধরনের অর্থ সংকট হবে না। আমরা সেই অর্থের সংস্থান করবো। কারণ স্বচ্ছতার জায়গায় আমাদের কোনো ঘাটতি নেই। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












