লামায় ১ হাজার ৯৭ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড

সুবিধাভোগী নির্বাচনে দলীয়করণ করা হয়নি : পার্বত্য মন্ত্রী

বান্দরবান প্রতিনিধি | বুধবার , ১১ মার্চ, ২০২৬ at ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেওয়া অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর পরিপ্রেক্ষিতে হতদরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলো বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, সমাজসেবা দপ্তরের উপপরিচালক মিল্টন মুহুরী, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা, লামা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আমির হোসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান মিঠুন, জাহাঙ্গীর আলম, জসিম উদ্দিন তুষারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এদিকে এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ১ হাজার ৯৭টি পরিবার কার্ড পায়। এই কার্ডের আওতায় প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা পাবে। ভাতা দেওয়া হবে উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে। এতে তারা ঘরে বসেই ভাতা পাবেন। পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি, স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি’ এবং ‘পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদাফ্যামিলি কার্ডেই মূল ভরসা’। এ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের সেবা করতে এসেছি। সুতরাং এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে দল কিংবা সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি। স্বচ্ছ ও স্বাধীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান উপস্থিত উপকারভোগীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধযুদ্ধের অজুহাত, বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম
পরবর্তী নিবন্ধমহেশখালী-কক্সবাজার রুটে নতুন সি-ট্রাক, কুতুবদিয়ায় ফেরি চালুর উদ্যোগ