রিক্রিয়েশন সেন্টারের আড়ালে চলে আসছিল ক্যাসিনো ও জুয়া। নগরীর হালিশহরে বিপুল পরিমাণ ক্যাসিনো সরঞ্জামসহ ৫৩ জনকে আটক করেছে র্যাব। হালিশহরের পোর্ট কানেকটিং রোডের নবাব টাওয়ারের তৃতীয় তলা থেকে শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে তাদের আটক করা হয়। র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার বলেন, শনিবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ ক্যাসিনো ও জুয়ার সরঞ্জামসহ ৫৩ জনকে আটক করা হয়। সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ১৫৫ সেট তাস, ৪৩০টি জুয়া খেলার চিপ ও নগদ ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯০ টাকা। তারা রিক্রিয়েশন সেন্টার অ্যান্ড কো-অপারেটিভ সোসাইটির আড়ালে ক্যাসিনো কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
র্যাব অভিযানকালে দেখতে পায়, সেখানে জুয়াড়িরা বাজির জন্য প্লাস্টিকের এক ধরনের চিপ ব্যবহার করেন। এই চিপগুলো ৫ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকায় সেন্টারের ম্যানেজারের কাছ থেকে কিনতে হতো। ক্যাসিনো ও জুয়ায় বেট করতে ব্যবহৃত হয় এই চিপ। আটকরা হলেন রদৌস আলম (৫৭), দিদারুল আলম (৫০), সাইফুল ইসলাম (৪১), শাহাবুদ্দিন (৬২), আবুল কালাম আজাদ (৬৬), দেলোয়ার হোসেন (৪০), আলাউদ্দিন (৫০), শহিদউল্লাহ (৪৭), জাকির হোসেন (৫৩), তাওহিদুল মাওলা (৫১), গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ (৫৯), সাইফুল ইসলাম (৫২), আব্দুস সালাম (৭২), জাকির হোসেন (৬৪), মোসাদ্দেক (৫৮), সুধীর দাস (৭২), নোমান (৪৮), কাজী মো. জাকারিয়া (৫৬), নজরুল ইসলাম (৫৮), সাইফুল আজম (৪২), ফজলুল করিম (৫৪), মাহফুজুর রহমান (৪৫), হেলাল উদ্দিন (৬০), বাবু (২৭), শামসুল ইসলাম (৫৩), উৎপল চৌধুরী (৪৬), রবি শংকর (৪৩), জসিম (৩৭), সোহরাফ হোসেন (৪২), কাজী মোজাহিদুল ইসলাম ওরফে নওশাদ (৫২), মহিউদুল্লা ওরফে কাজল (৫৭), আরিফুল ইসলাম (৪২), ওহিদুর রহমান (৬৩), আমিরুল ইসলাম (৬২), গোলাম রসুল (৬২), আব্দুর রশিদ (৪৭), নুরুল ইসলাম (৬৪), মাহবুব নবী চৌধুরী (৫৭), ফরিদ (৪২), আব্দুর শুক্কুর (৫৫), আবুল হাসান (৩২), শহীদুল ইসলাম সাগর (২৪), সুমন চৌধুরী (৩৫), জাহাঙ্গীর আলম (৫০), ওমর ফারুক (৫২), সোহাগ (১৯), জসীম (২৩), জাহাঙ্গীর আলম (৫৭), রফিকুল হাসান (৩৯), আশীষ গুহ (৫৫), রেজাউল মাওলা (৪২), মনির আহম্মদ চৌধুরী (৬৫) ও মঞ্জুর আলম (৫৮)।
র্যাব জানায়, এলাকার যুবসমাজ অবৈধ অর্থের প্রলোভনে পড়ে এই ক্যাসিনো ও জুয়া খেলায় জড়িয়ে যেত। অনেকে সর্বস্বান্ত হতো।












