বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের উদ্যোগে লোহাগাড়া উপজেলার কুমিরাঘোনায় (আখতরাবাদ) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ৮৪তম বার্ষিক ইছালে সাওয়াব মাহফিল গতকাল শনিবার সম্পন্ন হয়। লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উপস্থিতিতে এতে বিশেষ আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন রাহবারে বায়তুশ শরফ আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী (মা.জি.আ)।
দুইদিন ব্যাপী মাহফিলে বিশেষায়িত ওলামা–মাশায়েখদের তাকরির ছাড়াও তরিকতে আলীয়া কাদেরিয়ার প্রশিক্ষণ ও যিকির আযকার অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিবস ৯ জানুয়ারি জুমাবার রাতে হেদায়াতি বক্তব্যে রাহবারে বায়তুশ শরফ বলেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহর বাইরে কোন শরীয়ত, তরিকত, হাকিকত, মারেফত নেই। রাসূল (সা.) যা পালন করতে আদেশ করেছেন এবং যা থেকে দূরে থাকতে নিষেধ করেছেন, তা আন্তরিকতার সাথে মানার নামই ঈমান, আকিদা এবং তরিকত। এক্ষেত্রে নিজ মন, মস্তিষ্কপ্রসূত কোরআন–সুন্নাহ বিরোধী কোন তরিকা মানার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বায়তুশ শরফের মরহুম পীর–মুরশিদগণ সকল প্রকার ক্ষুদ্র মত পার্থক্যতার উর্ধ্বে উঠে শরীয়ত, তরিকত ও মারেফতের যে বাগান সৃজন করেছিলেন তার সুশোভিত সৌরভে অসংখ্য পথহারা মানুষ সঠিক পথের সন্ধান পেয়েছিলেন। রাহবারে বায়তুশ শরফ বলেন, মুসলিম উম্মাহ আজ গভীর ক্রান্তিলগ্ন পার করছে। এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় উম্মতে মোহাম্মদীকে গাউছে পাক হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রাহ.) এর কর্মপন্থা অবলম্বনের কোন বিকল্প নেই।
পিনপতন নীরবতা ও অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে মাহফিল সুসম্পন্ন করতে পারায় বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ এর সেক্রেটারি হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে শোকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ, মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশ, আনজুমনে নওজোয়ান বাংলাদেশসহ সর্বস্তরের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












