মোহাম্মাদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগার জুটি শতরান পেরিয়ে আরও গিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছিল। হঠাৎ উত্তেজনা ছড়াল সালমানের আউটে। একটু ব্যতিক্রমী ঘটনায় রান আউট হয়ে প্রচণ্ড চটে গেলেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিমিয় হলো তার। মাঠ ছাড়লেন তিনি বেশ ক্ষুব্ধ হয়ে। মিরপুরে শনিবার বাংলাদেশ–পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের ঘটনা এটি। ৩৯তম ওভারে মিরাজের বল মিড অনের দিকে খেলেন রিজওয়ান। বল যায় নন স্ট্রাইক প্রান্তের ব্যাটসম্যান সালমানের দিকে। ফিল্ডিং করতে ছুটে যান মিরাজ। সালমান ক্রিজের বাইরে গিয়ে চেষ্টা করছিলেন মিরাজকে আড়াল করতে, যাতে বল লং অনে যায় এবং সিঙ্গল নেওয়া যায়। কিন্তু মিরাজ পিছু ছাড়েননি। এক পর্যায়ে সালমান চেষ্টা করেন নিচু হয়ে বল ধরতে। কিন্তু তার আগেই মিরাজ দ্রুতগতিতে বল ধরে আন্ডারআর্ম থ্রোয়ে সরাসরি স্টাম্পে লাগান বল। সালমান তখনও ক্রিজের বেশ বাইরে। মাঠের আম্পায়ার তানভির আহমেদ সিদ্ধান্ত পাঠিয়ে দেন টিভি আম্পায়ারের কাছে। সালমান তখন হেসে হেসে কিছু বলছিলেন মিরাজের দিকে তাকিয়ে। মিরাজও এগিয়ে এসে ইশারায় বোঝাচ্ছিলেন যে ব্যাটার ক্রিজের বাইরে, তিনি নিয়ম মেনেই আউট করেছেন। টিভি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তও চলে আসে দ্রুত। আম্পায়ার কুমার ধার্মাসেনা স্রেফ একবার রিপ্লে দেখেই পরিষ্কার হয়ে যান। ঘোষণা দেন আউটের। সালমানকে দেখা যায় হাত থেকে গ্লাভস খুলে মাঠে ছুড়ে মারতে। শরীরী ভাষায় ছিল ক্ষোভের প্রকাশ, মুখেও তিনি অনেক কিছু বলছিলেন। এক পর্যায়ে লিটন কুমার দাসকে দেখা যায় এগিয়ে গিয়ে জবাব দিতে। সালমান মাঠ ছাড়েন গজরাতে গজরাতে। মাঠের বাইরে গিয়ে তিনি ছুড়ে মারেন গ্লাভস ও হেলমেট। ৬২ বলে ৬৪ রান করে আউট হন সালমান। জুটি থামে ১০৯ রানে। ওই আউট দিয়েই বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। মিরাজের ওই ওভারে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হন ৪৪ রান করা রিজওয়ান। ৩০০–৩২০ রানের পথে থাকা পাকিস্তান ৪৩ রানের মধ্যে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় ২৭৪ রানে।











