রাঙ্গুনিয়ায় ধান-চাল সংগ্রহ শুরু

লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর দাবি কৃষকদের

জগলুল হুদা, রাঙ্গুনিয়া | শনিবার , ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা খাদ্যগুদামে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারিভাবে নির্ধারিত দাম বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় ধান বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। তবে ফলন ভালো হওয়ায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও তালিকার পরিধি আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রাঙ্গুনিয়া খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১৩২ মেট্রিক টন এবং চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ২ হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন। প্রতি কেজি ধান ৩৪ টাকা এবং প্রতি কেজি চাল ৪৯ টাকা দরে কেনা হচ্ছে। গত ২০ নভেম্বর শুরু হওয়া এই সংগ্রহ অভিযান চলবে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। গত বুধবার সরেজমিনে গোডাউন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা ট্রাক ও বিভিন্ন যানবাহনে করে ধান নিয়ে আসছেন। গুদাম কর্তৃপক্ষ ধানের আর্দ্রতা ও মান পরীক্ষা করে তা গ্রহণ করছেন। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি কৃষক সর্বোচ্চ ৩ টন ধান সরবরাহ করতে পারছেন। এখন পর্যন্ত ১২০ টন ধান এবং ১ হাজার ৮০০ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবার রাঙ্গুনিয়ায় ১৫ হাজার ৪৫৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। হেক্টর প্রতি গড় উৎপাদন ৫.৫ টন হিসেবে মোট উৎপাদন ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ছাড়িয়ে গেছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা সরকারি সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর জোর দাবি তুলেছেন।

রাঙ্গুনিয়া খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসাইন জানান, উপজেলা ধানচাল সংগ্রহ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তালিকাভুক্ত ২ হাজার ৩৯৯ জন কৃষক এবং চুক্তিবদ্ধ ৩৪ জন মিলারের কাছ থেকে এই সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। তিনি কৃষকদের শুকনা ও চিটামুক্ত ধান সরবরাহের আহ্বান জানান। লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সরকারি সংগ্রহের মূল উদ্দেশ্য বাজারে দামের সামঞ্জস্য বজায় রাখা। সরকার নির্ধারিত দামে কেনা শুরু হওয়ায় বাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, যার সুফল সব কৃষকই পাবেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাঙ্গুনিয়া তৈয়বিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ
পরবর্তী নিবন্ধহাদি হত্যার বিচার করতে ‘বিপ্লবী সরকার’ চাইলেন বোন মাসুমা