চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রোটারী বেতাগী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে এসএসসি পাস করেছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সেকান্দর চৌধুরী। এরপর দীর্ঘ ৪৭ বছর পেরিয়ে গেছে। তবে স্কুলজীবনের স্মৃতি আজও অমলিন তাঁর চোখে। সেই স্মৃতির টানে আবারও ফিরে এলেন প্রিয় প্রাঙ্গণে। স্কুলের ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে। শুধু তিনিই নন, ১৯৬৮ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্টার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা একত্রিত হয়ে হারিয়ে যায় সেই পুরনো দিনে। তাদের আবেগ-স্মৃতিচারণ-আড্ডা ছুঁয়ে যায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। দীর্ঘদিন পর প্রিয় ক্যাম্পাসে প্রিয় বন্ধুকে কাছে পেয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন সবাই।
রোববার (২৩ এপ্রিল) রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের রোটারী বেতাগী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। পুরো ক্যাম্পাস সেজেছিলো নানা বর্ণিল সাজে। পুনর্মিলনী উপলক্ষে এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় বেতাগী চম্পাতলী বটমূল প্রাঙ্গন থেকে র্যালি বের করা হয়। রালিতে একই ধরণের টি-শার্ট পরে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বর্তমান ও সাবেক শিক্ষকরাও অংশগ্রহণ করেন। এটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্কুল প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এরপর প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা বক্তব্য, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যাফল ড্র শেষে দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহবায়ক ইয়াছিন ফারুক এতে স্বাগত বক্তব্য দেন। সাবেক শিক্ষার্থী ড. আবদুল্লাহ হিল মামুনের সঞ্চালনায় প্রধান শিক্ষক শামসুল আলম, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, শৃঙ্খলা কমিটির জানে আলম মেম্বারসহ বিভিন্ন ব্যাচের প্রতিনিধিরা তাঁদের স্মৃতিচারণ করেন।

এরআগে সকালে স্কুলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত আবুল হায়াত, ইসকান্দর চৌধুরী ও শিক্ষক শেখ নজরুল ইসলামের কবরে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা। আগামীতে বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তী অনুষ্ঠান আয়োজনের পাশাপাশি স্কুলের নানা উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।












